স্কুলছাত্রদের রাস্তা ছেড়ে দেয়ার সময় হয়ে গেছে

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

আগস্ট ০২ ২০১৮, ১৭:৩৪

বিগত কয়েকদিনে স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চারা রাষ্ট্রের চোখে আঙুল দিয়ে যা দেখিয়ে দিয়েছে, এখান থেকে রাষ্ট্রের জন্য শেখার অনেক কিছুই আছে।
তবে আর নয়, বাচ্চাদের এখন স্কুলে ঢুকে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে।

রাষ্ট্রের সরকার ব্যবস্থার গোড়ায় পঁচন ধরেছে।
বাচ্চারা তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে তবে বাচ্চাদের জন্য এটা সংশোধন করা সম্ভব নয় এবং এটা তাদের দায়িত্বও নয়।
সচেতন নাগরিক হিসেবে তারা দেখিয়ে দিয়েছে।
এজন্য দেশবাসী তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

শঙ্কার কারণ হলো, আজ মীরপুরে কোমলমতি শিশুদের উপরে পুলিশ ছাত্রলীগ আর নৌমন্ত্রীর সন্ত্রাসী ফেডারেশন ঐক্যবদ্ধভাবে হামলা চালিয়েছে।

উত্তরা এলাকার নামিদামি স্কুলগুলোর ছাত্রদের মধ্যে ক্ষমতাসীন আমলা কর্মকর্তাদের সন্তানরাও আছে বলে পুলিশের সামনেই পুলিশকে চুদির ভাই বলে গালি দিলেও এখন পর্যন্ত মেকি হাসি দিয়ে তা মেনে নিচ্ছে তবে আর বেশিদিন তারা এটা মেনে নেবে বলে মনে হয় না।

তারা যা দেখিয়ে দিয়েছে, এর জন্য ফুলের তোড়ার সম্ভাষণ জানিয়ে তাদেরকে ঘরে তুলে নিতে হবে।
বাচ্চাদেরকে এভাবে আর পথে ছেড়ে যায় না।

শ্রমিক ফেডারেশনের সন্ত্রাসীরা কতোটা ভয়ঙ্কর তা সবাই জানে।
পুলিশ কতোটা ভালো মানুষ, তাও জানা আছে।
তারা সুযোগ পেলেই বাচ্চাদের টুটি চেপে ধরবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

অতএব, আমি মনে করি বাচ্চাদের আর পথে নামা উচিত হবে না।
বড়দেরকেই এই দায়িত্ব নিতে হবে।

সারকথা হলো, রাষ্ট্রব্যবস্থার গোড়ায় পঁচন ধরলে প্রতিটি শাখা প্রশাখা থেকে তার দুর্গন্ধ বের হয়ে আসে।

পথঘাটের দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশকে কিভাবে সুগন্ধময় করকে হয়, তা বাচ্চারা দেখিয়ে দিয়েছে।
বাচ্চাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে এবার তাদেরকে ঘরে তুলতে হবে।
মূলে ছুরি চালিয়ে পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থার ক্যান্সার অপসারনের দায়িত্বটা বড়দেরকেই নিতে হবে।