যাত্রাপথে নামাজের বিরতি বাধ্যতামূলক করায় প্রশংসায় ভাসছে এনা পরিবহন কর্তৃপক্ষ

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

অক্টোবর ০৮ ২০২১, ০৮:৩১

দূরপাল্লার সব ধরনের বাসে যাত্রাপথে নামাজের বিরতি বাধ্যতামূলক করেছে এনা ট্রান্সপোর্ট প্রাইভেট লিমিটেড। কোম্পানির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলশ্রুতিতে যাত্রীদেরকে আনন্দিত হতে দেখা গেছে।

এনা পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার এনায়েত উল্ল্যাহ বলেন, আমরা নিয়মিত নামাজ পড়ার জন্য সব কর্মীদের উৎসাহিত করি। যাত্রীদের জন্য সেই সুবিধা রাখতে নির্দেশনা জারি করেছি। কারণ যাত্রাপথে নামাজের বিরতি সবারই রাখা উচিত। এজন্যই যাত্রাবিরতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আমরা বিষয়টির নিয়মিত তদারকিও করছি।

জানা গেছে, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এ পরিবহনের জারি করা নির্দেশনা অনুসরণ করছেন এনার কর্মচারীরা। রাজধানীর গাবতলীসহ বিভিন্ন কাউন্টারে এ পরিবহনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে- ‘এনা ট্রান্সপোর্ট প্রাইভেট লিমিটেডের কর্মরত সব চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, পথিমধ্যে নামাজের জন্য যাত্রাবিরতি বাধ্যতামূলক এবং নিজেরাও নামাজে অংশগ্রহণ করবেন।’

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়া এক যাত্রী আব্দুল কাদির জানান, সাধারণত দূরপাল্লার যাত্রীদের ফেনী বা কুমিল্লায় যাত্রাবিরতি দেওয়াই হতো আগে থেকেই। নামাজের জন্য বিরতি দেওয়ায় নামাজ‌ও পড়তে পারলাম, হালকা নাশতাও সেরে নিলাম।

অন্য এক যাত্রী একুশে জার্নালকে বলেন, নামাজের সময় হয়ে গেলে পথিমধ্যে নামাজের বিরতি দেওয়ার সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত ভালো সিদ্ধান্ত। জ্যামে আটকে ঘন্টার পর ঘন্টা থাকতে পারলে নামাজের জন্য ৫ থেকে ১০ মিনিট কোন ব্যাপারই না।

তবে এক মহিলা যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, রাস্তার পাশের মসজিদগুলোতে মহিলাদের নামাজঘর থাকলে আমরাও অনায়াসে নামাজ পড়তে পারতাম। মসজিদের পাশে পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ মহিলাদের নামাজঘর করার দাবি জানিয়েছেন উক্ত মহিলা।

উল্লেখ্য, এনা ট্রান্সপোর্ট লিমিটেডের অধীনে রাজধানী ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট, কক্সবাজার, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে বাস চলাচল করে।