#305F00 Ekushe Journal | বলিউড অভিনেতা সুশান্তের আত্মহত্যার পরদিন ভাবির আত্মহত্যা!

বলিউড অভিনেতা সুশান্তের আত্মহত্যার পরদিন ভাবির আত্মহত্যা!

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

জুন ১৬ ২০২০, ১১:৫০

আবির আবরার: মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজ ফ্ল্যাটে রোববার (১৪ জুন) গলায় ফাঁ’স দিয়ে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে আত্মহত্যা করেন বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত। সুশান্তের মৃত্যুকে মেনে নিতে পারছে না তার পরিবার ও আপনজনরা। তার মৃত্যুর সংবাদ এতটাই অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল যে, তা শোনার পর সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন সুশান্তের চাচাতো ভাইয়ের বউ! একদিকে যখন মুম্বাইতে সুশান্তের শেষকৃত্য চলছিল, তখনই বিহারের পূর্ণিয়ায় ওই আত্মীয় আত্মহত্যা করেন। সুশান্তের মৃত্যুর খবর সহ্য করতে পারেননি তিনি। ওই খবর শোনার পর থেকেই খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দেন।
অন্যদিকে সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে বলিউডের অনেক অভিনেতা অভিনেত্রীরাও মুখ খুলেছেন। তারা বলছেন এটি আত্মহত্যা নয়, খুন। তবে এবিষয়ে বড়োসড়ো মন্তব্য করেন মহারাষ্ট্রের গৃহমন্ত্রী অনিল দেশমুখ। তিনি টুইট বার্তায় লেখেন ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত সুইসাইড করেছেন গলায় ফাঁস লাগিয়ে। অনেক মিডিয়ার রিপোর্ট বলছে পেশাদার জীবনে রেষারেষির কারণেই নাকি ক্লিনিকাল ডিপ্রেশনে চলে যান সুশান্ত, সেই দিকটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ, পূর্ণ তদন্ত হবে। সোমবারই সুশান্তের বাগদত্তা রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে একদফা কথাবার্তাও চালিয়েছে পুলিশ। জানা গেছে, তার সঙ্গে সুশান্তের অন্তর্কলহ চলছিল।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী এদিন পুলিশ জানিয়েছে, খুন নয়, আত্মহত্যাই করেছেন সুশান্ত। সোমবার মুম্বাই পুলিশের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ৩৪ বছর বয়েসী এই অভিনেতার মৃত্যু হয়েছে গলায় দড়ি দেওয়ার ফলে অ্যাসফিকসিয়া।
পুলিশ জানিয়েছে, গত তিন মাস ধরে বাড়িতেই নিজেকে বন্দি করে রেখেছিলেন সুশান্ত। এদিন সুশান্তকে খুনের তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। প্রভিশনাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বান্দা পুলিশ স্টেশনে এদিন জমা দেন চিকিৎসকরা। তিনজন চিকিৎসকের একটি টিম সুশান্তের দেহের ময়নাতদন্ত করে বলে জানা গেছে। মৃত্যুর প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট বলছে অ্যাসফিকসিয়ার ফলেই সুশান্তের মৃত্যু হয়েছে। যা মূলত গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার ফলেই হয়ে থাকে।
একটি গবেষণায় দেখা গেছে, অভিনেতা-অভিনেত্রীরাই সবচেয়ে বেশি হতাশায় ভোগেন। সংসারে তুলনামূলক সবচেয়ে বেশি অশান্তি থাকে তাদেরই।  যে কারণে সবচেয়ে বেশি পরকীয়া, ডিভোর্স ও তালাকের ঘটনা ঘটে থাকে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের জীবনে।