মাধবপুরে ধানের ব্লাস্ট রোগে কৃষকের সর্বনাশ

একুশে জার্নাল ডটকম

একুশে জার্নাল ডটকম

এপ্রিল ১৯ ২০২০, ১৮:৪৯

মাধবপুর উপজেলার ১নং ধর্মঘর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ধানের জমিতে গিয়ে দেখা যায় ব্লাস্ট রোগের কারণে ধান গাছ মরে যাচ্ছে এবং ধান সাদা রং ধারণ করছে। সরজমিনে ধান পরীক্ষা করে দেখা যায় ধানগাছ ও ধান শুকিয়ে গেছে এবং ভিতরে চাউল নেই।শত শত জমির একই অবস্থা। এ অবস্থা দেখে কৃষকের মাথায় হাত।

একাধিক কৃষক একুশে জার্নালকে জানান- করোনার কারণে দেশের এই ক্লান্তিকালে আমরা অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছি। এখন ধান কাটা সময় ঘনিয়ে এসেছে ঠিক সেই সময় আমাদের ফসলের জমি ব্লাস্ট রোগ শেষ করে দিয়েছে। লকডাউনের কারণে খুব বিপদে আছি। ঘরে খাবার নেই। জমির ফসল ব্লাস্ট রোগে শেষ হয়ে গেছে। আমরা আমাদের ছেলে মেয়েকে নিয়ে কি খাব, আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে। কোন কীটনাশক ব্যবহার করছেন কি না জানতে চাইলে বলেন, ব্লাস্ট রোগের থেকে ধান ও ধান গাছ বাচাঁনোর জন্য ফিলিয়া নামক কীটনাশক ব্যবহার করছি। যে সকল জমিরে ধান ব্লাস্ট রোগের কারণে নষ্ট হয়ে গেছে সে সকল জমিতে ফিলিয়া দিয়ে কি লাভ ধান গাছ ও ধান শুকিয়ে সাদা হয়ে মরে গেছে।তবে যাদের জমিতে ব্লাস্ট রোগ আক্রমণ করে নাই অথবা কিছু কিছু ধান কাছে করেছে তারা দ্রুত ফিলিয়া ব্যবহার করলে এ ব্লাস্টে রোগ ফসল নষ্ট করতে পারবে না।

একজন কৃষি পরামর্শ দাতা জানান এই রোগটি সম্পূর্ণ নতুন, এ রোগটির কারণে ধানগাছ ও ধান শুকিয়ে সাদা হয়ে যাচ্ছে এবং ধানের ভিতরে কোন চাউল পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি সবাইকে ফিলিয়া, ট্রপার, ব্লাস্টন, নাটিভো, নোভিটা, দিফা, সান ফাইটার নামক যে কোন একটি কীটনাশক ব্যবহার করার জন্য সবাইকে পরামর্শ দেন।