বিশ্বনাথে বৈরাগী বাজার কোরবানির পশুর হাট জমলেও বেচাকেনা কম

একুশে জার্নাল ডটকম

একুশে জার্নাল ডটকম

জুলাই ৩০ ২০২০, ১৭:৫৯

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি: কোরবানির ঈদকে ঘিরে শেষ সময়ে জমেতে শুরু করেছে বিশ্বনাথ পশুর হাট।তবে বেচাকেনা সেভাবে জমেনি।উপজেলার ছোট-বড় ৭ টির বেশি কোরবানির পশুর হাট বসেছে।পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতার উপচে পড়া ভিড় দেখা গেলেও বেচাকেনা ছিল সীমিত।তবে এসব হাটে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মানছে না কেউ। উপজেলার হাঁটগুলোতে মানুষের গাদাগাদি একজন আরেকজনের গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে পশু দরদাম করছেন, কেউ পশু কিনে গাড়িতে তুলছেন। অধিকাংশের মুখে মাস্ক নেই।

উপজেলার হাটগুলোতে প্রচুর গরু,ছাগল,মহিষের আধিক্য লক্ষ করা গেছে।ছোট,মাঝারি আকারের চেয়ে বড় গরু ছিল বেশি।তবে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা ছিল বেশি। সরেজমিন পীরের বাজার ও বৈরাগী,বিশ্বনাথ পুরান বাজার; ঘুরে দেখা গেছে, ছোট আকারের গরুর দাম হাঁকানো হচ্ছে ৩০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা, মাঝারি সাইজের গরু ৫০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা,বড় সাইজের গরু ৮০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত। গরুর পাশাপাশি ছাগলের দামও চড়া। ছোট সাইজের ছাগল ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা,মাঝারি সাইজের ছাগল ১২ থেকে ২০ হাজার টাকা ও বড় সাইজের ছাগল ২২ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

গরু ব্যাপারি আছকর আলী অভিযোগ করে বলেন, এই বছর গরু নিয়ে আমরা বিপাকে পড়েছি।কিছুদিন পূর্বে যে গরু কিনেছে তার দামের চেয়ে ২০-৩০ হাজার টাকা কম দামে গরু বিক্রি করতে হচ্ছে।

স্হানীয় খামারীরা বলেন,এই বছর পশু পালন করে আমরা বিপাকে পড়েছি।বাজার থেকে ছড়াদামে গো খাদ্য কিনে গরু লালন-পালন করে কম দামে গরু বিক্রি করতে হচ্ছে।হাটে বড় গরুর চাহিদা কম থাকায় কম মূল্যে গরু বিক্রি করতে হচ্ছে।

বৈরাগী বাজারে গরু কিনতে আসা মোঃবশির আহমদ ও আবিদ উদ্দীন নিজাম বলেন,গত বছরের তুলনায় এই বছর গরুর দাম মোটামোটি ভালো।বড় গরুর দাম কিছুটা কম হওয়ায় ১ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দামের দুটি গরু ক্রয় করেছি।

বিগত বছরে একই গরু ২ লক্ষ টাকার কমে পাওয়া যায়নি।

গরুর দাম নিয়ে ক্রেতারা সন্তুষ্ট হলেও খামারি ও ব্যাপারিদের দুঃখের সীমা নেই।