বিনা অনুমতিতে গাছ কাটছি যা হওয়ার হবে

একুশে জার্নাল ডটকম

একুশে জার্নাল ডটকম

মার্চ ০৪ ২০২০, ১৮:০৩

ইয়ামিন কাদের নিলয়, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি:

সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করারা অভিযোগ রয়েছে ২৬ নং ভোজেশ্বর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক দোলেনা বেগম এর বিরুদ্ধে।

০৪ মার্চ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নড়িয়া উপজেলার ২৬ নং ভোজেশ্বর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা দোলনা বেগম গত জানুয়ারি মাসে স্কুল নির্মাণের কাজের জন্য ৫টা সরকারি গাছ কেটে ফেলেছে।

এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক দোলেনা বেগম বলেন, কারো অনুমতি নিয়ে গাছ কাটিনি। যা হবার হবে। আমরা একটা গাছ বিদ্যালয়ের কাজে লাগিয়েছি। বাকি গাছের টাকা দিয়ে একটি শ্রেণি কক্ষ করেছি। গাছ বিক্রির যে টাকা পেয়েছি। তাতে হয়নি। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি চন্দন ব্যানার্জির পকেট থেকে আরো ৮ হাজার টাকা বেশী লাগছে।

রেজুলেশনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,৮দিন পরে রেজুলেশন করেছি। রেজুলেশন খাতা দেখতে চাইলে রেজুলেশন খাতা খুঁজে পাননি। এবং তা অনেক সময় খোঁজা খুজি করে তা দেখাতে পারেনি। বিনা অনুমতিতে গাছ কাটা সহ বোর্ড মিটিংএ রেজুলেশন করতে দেরী করেছি। একারণে কতৃপক্ষ আমাকে যে শাস্তি দিবে তাই মেনে নিবো। এই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক দোলেনা বেগম দীর্ঘ ২৩ বছর একই স্কুলে কর্মরত রয়েছেন।

এব্যপারে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি চন্দন ব্যানার্জির বলেন,গাছের বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে একটি মহিলা বিশ্রামাগার বানিয়েছি। উল্টো আমার পকেট থেকে টাকা গিয়েছে। খরচপাতি কিভাবে করেছি তার একটা হিসেব আছে।

এদিকে বিদ্যালয় উন্নয়ন কাজের ধীরগতি। ৩ মাস ধরে ২৬ নং ভজেশ্বর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠ খুঁড়ে বিশাল গর্ত করে রেখেছে। এতে করে এসেম্বলি ক্লাশ করতে পারছেনা। এতে করে বিদ্যালয়ের কমোলমতি শিশুরা চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এবিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ দৈনিক অধিকারকে বলেন, এই বিষয়ে আমি আপনার কাছে প্রথম শুনলাম। আমি আজকেই থানা শিক্ষা অফিসারকে পাঠাবো। বিষয়টি আমি দেখছি।