বাহুবলে মহান শ্রমিক দিবস পালিত

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

মে ০১ ২০১৯, ১৬:৪০

 

শাহ মোহাম্মদ দুলাল আহমেদ,বাহুবল(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার বাহুবলে মহান শ্রমিক দিবস পালিত হয়েছে।

পহেলা মে রোজ বুধবার হবিগঞ্জ অটোটেম্পু ও অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ১৯৭৯ এর অন্তর্ভুক্ত বাহুবল সদর শাখার উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদার মধ্যদিয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান শ্রমিক দিবস পালন করা হয়েছে।

উক্ত শ্রমিক দিবসে প্রায় এক হাজারে ও বেশী শ্রমিক এবং পাঁচশতাদিক সিএনজি চালিত অটোরিক্সার র‍্যালী বের করা হয়। উক্ত র‍্যালীটি বাহুবল সদর হইতে উপজেলার শেষ প্রান্ত পূটিজুরী বাজার প্রদক্ষীন করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাগান বাড়ি ঘুরে বাহুবল উপজেলা সাবরেজিষ্টার অফিসে কার্যালয়ের মাঠে সমাপ্তি হয়।

এছাড়া ও মহান মে দিবস উপলক্ষে সাবরেজিষ্টার কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।
হবিগঞ্জ জেলা অটোটেম্পু ও অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন (১৯৭৯)এর অন্তরভুক্ত বাহুবল সদর শাখার সফল সংগ্রামী সভাপতি শফি আহমেদ চৌধুরীর সভাপতি,সাধারন সম্পাদক মোঃআঃ জলিল’র পরিচালনায় আলোচনা সভায় উপস্তিত ছিলেন,উক্ত সদর শাখার যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ সুনাহর আলী,সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ হক,যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ কাইয়ুম,দপ্তর সম্পাদক আব্দাল মিয়া, উক্ত শ্রমিক ইউনিয়ন সদর শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইফুর রহমান জুয়েল,সদস্য রেনু মিয়া,জাবেদ আলী, সিরাজ মিয়া,নাসির মিয়া,কিম্মত আলী,মরতুজ আলী,শানু মিয়া,শফিক মিয়া ,আব্দুল্লাহ মিয়া,রুবেল মিয়া,প্রনয় গোপ প্রমুখ।
এছাড়া উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক শাহ মোহাম্মদ দুলাল আহমেদ।

সভাপতি শফি আহমেদ চৌধুরীর সমাপনী বক্তব্যের আলোচনা অনুষ্টানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।

পরে উপস্থিত শ্রমিকদের মিষ্টি বিতরন করা হয়।

উল্লেখ্যঃমহান মে দিবস আজ। শ্রমিকের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে অধিকার আদায়ের গৌরবময় দিন। সারাবিশ্বেই দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হয়।

দিবসটি প্রতিষ্ঠার পেছনে রয়েছে শ্রমিকদের রক্তঝরা আত্মত্যাগের ইতিহাস।
দীর্ঘ শোষণ-বঞ্চনা-অত্যাচার আর নিপীড়নের বিরুদ্ধে ১৮৮৬ সালের পহেলা মে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিকরা সব কল-কারখানায় শ্রমিক ধর্মঘটের ডাক দেন।

আট ঘণ্টা কাজ এবং নায্য মজুরির দাবিতে সেদিন শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে দেন। লাল ঝাণ্ডা হাতে সেদিন প্রায় তিন লাখ শ্রমিক শিকাগো শহরের হে মার্কেটের সামনে বিক্ষোভ করেন। হে মার্কেটের সামনে শ্রমিকদের বিক্ষোভ সেদিন এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। বিক্ষোভের একপর্যায়ে পুলিশ বিনা উস্কানিতে শ্রমিকদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। পুলিশের গুলিতে প্রায় ১০ জন শ্রমিক নিহত হন।
হে মার্কেটে ১০ জন শ্রমিক নিহতের ঘটনায় শ্রমিক আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারাবিশ্বে।

শ্রমিকদের সঙ্গে সেই আন্দোলনে সাধারণ ছাত্র-জনতাও সামিল হয়। বিশ্বজুড়ে তীব্র শ্রমিক আন্দোলন গড়ে ওঠে। যার ফলে যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিকদের আট ঘণ্টা কাজের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়।