#305F00 Ekushe Journal | বাহুবলের স্নানঘাটে ফসলি জমি থেকে বালু উত্তোলন: ইউএনও বরাবর অভিযোগ

বাহুবলের স্নানঘাটে ফসলি জমি থেকে বালু উত্তোলন: ইউএনও বরাবর অভিযোগ

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

জানুয়ারি ১৬ ২০২০, ২৩:৪৫

 

বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার ১নং ইউনিয়নের স্নানঘাট গ্রামের পশ্চিম দিকে ‘কাজী ফার্ম’ নামের একটি কোম্পানী বিশাল এরিয়া ক্রয় করে বালু দ্বারা ভরাট করার নামে এলাকার শত শত কৃষকের জমি বেদখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

এছাড়া ফার্ম করার নিমিত্তে প্রায় দেড়’শ একর জমি খরিদ করে তা বালু দ্বারা ভরাট করতে এলাকারই কৃষকের কিছু জমি ক্রয় করে তা থেকে ৮-১০টি শক্তিশালী ড্রেজার ব্যবহার করে জমির গভীর থেকে বালু উত্তোলন করছে।

ঐ বালু অনেক কৃষকের অনুমতি ছাড়াই তাদের জমির উপর দিয়ে বড় পাইপের সাহায্যে কোম্পানীর জমিতে পতিত হচ্ছে। বালু উত্তোলন করতে এতই গভীর করা হচ্ছে যে, পার্শ্ববর্তী মালিকদের জমি ভেঙ্গে তা একাকার হয়ে পড়ছে।

এ অবস্থায় কৃষকদের মাঝে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরী হচ্ছে। স্থানীয় একটি শক্তিশালী চক্রকে হাত করেই অবৈধ ভাবে ওই কাজী ফার্ম বিগত বছর খানেক যাবত জনস্বার্থবিরোধী কাজটি দেদারছে করে যাচ্ছে। স্থানীয় কৃষকগণ প্রতিবাদ করলেও স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালীর হুমকীর মুখে পেরে উঠতে পারছেন না। এর ফলে আসন্ন বোরো মৌসুমে বোরো চাষও অনিশ্চয়তায় পড়েছে বলে জানান স্থানীয় অসংখ্য কৃষক।

এমনকি স্থানীয় এলজিইডির রাস্তার পাশেই বিশাল এরিয়ায় বালু উত্তোলন করায় রাস্তাও ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়েছে। বিশাল এরিয়া জুড়ে বালু তোলায় দেখে মনে হবে যেন,‘হাওরের মাঝে আরেক হাওর’। যে কোন সময় রাস্তাও ধসে ওই নব্য হাওরে পতিত হয়ে যেতে পারে। কাজী ফার্মের এসব জনবিরোধী কাজের দায়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন প্রায় ৮ একর জমির মালিক তালেব আলী, কদ্দুছ আলী, সাহেদ আলী, আমজদ আলী, চমক আলী, কাছন মিয়া, বরধন মিয়া, আব্দুল জলিল, লেবু মিয়ার মালিকাধীন জমিজমাসহ প্রায় শতাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশংকার মধ্যে পড়েছেন। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে কৃষক তালেব আলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বিষয়টি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন ইউএনও স্নিগ্ধা তালুকদার।