প্রাথমিকে চাকরি: অনলাইনে আবেদন করতে গিয়ে বিপাকে কর্ণফুলীর প্রার্থীরা

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

অক্টোবর ৩১ ২০২০, ২৩:৩৬

নিজস্ব প্রতিনিধি:

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। পাঁচদিন আগে থেকে এর আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রামের নবসৃষ্ট কর্ণফুলী উপজেলার প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন বলে খবর পাওয়া যায়।

খোঁজ নিলে জানা যায়, অনলাইন আবেদনকারীকে https://dpe.teletalk .com.bd/ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদনের ফরম পূরণের নির্দেশনা দেখতে হয়। সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করতে গিয়ে দেখেন
Directorate of Primary Education এর সার্ভারে চট্টগ্রামের
১৪টি উপজেলার নাম থাকলেও নবসৃষ্ট কর্ণফুলী উপজেলার নাম নেই। তাহলে কিভাবে আবেদন করবে কর্ণফুলীর প্রার্থীরা এটা নিয়ে সন্দিহান।

উপজেলার পুরাতন ব্রিজঘাট ডিসকোভারী কম্পিউটারের দোকানে আবেদন করতে যাওয়া কর্ণফুলীর মোরশেদুল ইসলাম নামে এক যুবক জানান, প্রাথমিকে চাকরির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন। কারণ, কর্ণফুলী উপজেলার বাসিন্দা হলেও আবেদন প্রক্রিয়ায় তিনি কর্ণফুলী উপজেলা খুঁজে পাচ্ছেন না।’

অপরদিকে, কর্ণফুলী উপজেলার তসলিমা আক্তার নামে এক আবেদনকারী বলেন, ‘চাকরি আমাদের কাছে সোনার হরিণ, কিন্তু গত ৬দিন আগে থেকে প্রাথমিকে সহকারি শিক্ষক পদে আবেদন শুরু হয়। কিন্তু আমরা এখনো আবেদন করতে পারছি না। নানা দ্বিধাদ্বন্ধে রয়েছি। পটিয়া উপজেলা দিয়ে আবেদন করব? না ব্ল্যাকভাবে আবেদন করব বুঝতে পারছি না। পাশাপাশি আবেদনকারীরা এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিষয়টি অবগত করে জানতে চাইলে কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিনা সুলতানা বলেন, ‘আমি বিষয়টি আমি জেনেছি। শিগগিরই এ সমস্যা সমাধানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে বিষয়টি জানানো হবে।’

প্রসঙ্গত, এ পদে প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন চলবে ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আবেদন শেষে পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে শুরু হবে নিয়োগ পরীক্ষা।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকলে আবেদন করা যাবে।

প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং গত ২৫ মার্চ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ৩২ বছর।

এ বছর সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার কথা থাকলেও শূন্য আসনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে।