দ্বিতীয়বারের মতো মাসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি হলেন বাংলাদেশের হাফেজ বশির

একুশে জার্নাল ডটকম

একুশে জার্নাল ডটকম

ফেব্রুয়ারি ২২ ২০২১, ২১:০৯

টানা দ্বিতীয়বারের মতো মালয়েশিয়ার অন্যতম বড় বিশ্ববিদ্যালয় মাসা ইউনিভার্সিটির ‘স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টিটিভ কাউন্সিল’ (এসআরসি) নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের শিক্ষার্থী হাফেজে কোরআন বশির ইবনে জাফর। ২০২১ সেশনের জন্য অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বশিরসহ ছয়জন।

দেশটির প্রধান প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টিটিভ কাউন্সিল (এসআরসি) নির্বাচনের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য প্রেসিডেন্ট পদটি সংরক্ষিত রেখে বাকি আরও আটটি পদ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই এসআরসি নির্বাচনের আয়োজন করে।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১ হাজার ৭৯২ মোট ভোটের মধ্যে পাঁচ প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে ৮১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন বশির। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ৪০৭ ভোট।

প্রেসিডেন্টসহ মোট ৯টি পদে ৪২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। করোনাভাইরাসের কারণে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় অনলাইন প্রচারণার ভিত্তিতে ৭ হাজার ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৭৯০ জন ভোটার ভোটে দেন।

ভিপি পদে বশির ইবনে জাফরসহ ৬ জন প্রার্থী এ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে তিনজন মালয়েশিয়ান শিক্ষার্থী এবং দুজন অন্য দেশের শিক্ষার্থী। ৯টি পদের জন্য প্রেসিডেন্ট পদসহ মোট ৬টি পদে বশিরের প্যানেলের প্রার্থী ছিল। এর মধ্যে বশিরসহ ৪ জন বাংলাদেশি, ১ জন মালয়েশিয়ান এবং অন্যজন কাশ্মীরি।

নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরে তিনি তার ফেসবুক পেজে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ্‌, টানা দ্বিতীয়বারের মতো মালয়েশিয়ার MAHSA University-এর ভিপি নির্বাচিত হলাম।

প্রাপ্ত ভোট ৮১৩। (১৭৯২ মোট ভোট)। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ৪০৭ ভোট।

আমার প্যানেলের ৬ জনের মধ্য থেকে ৫ জনই বিজয়ী। যার মধ্যে, প্রেসিডেন্ট পদে উফাফ, ওয়েলফার ব্যুরো তে ফয়সাল সাদিক, স্পোর্টস ব্যুরোতে সোহান, সোশাল ব্যুরো পদে আফিকা।

সকলকে ধন্যবাদ এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকার জন্য।’

বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রকৌশল বিভাগে অধ্যয়নরত হাফেজ বশির ইবনে জাফরের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের শোলাকিয়া এলাকায়।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২০ সালের ৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনেও ভিপি পদে সাত প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে ৬৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন কিশোরগঞ্জের সন্তান বশির ইবনে জাফর।

বশির কওমি মাদ্রাসা ও কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি কোরআনের হাফেজও। তিনি রাজধানীর দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাসের পর ২০১৮ সালে স্কলারশিপ নিয়ে মালয়েশিয়ায় পড়াশোনা করতে যান।