ডা. আব্দুল হকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যে, সেন্ট্রাল কর্তৃপক্ষ

একুশে জার্নাল ডটকম

একুশে জার্নাল ডটকম

সেপ্টেম্বর ০৬ ২০২০, ১৮:৫৯

এম.এস আরমান,নোয়াখালী: নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান ডাঃ আ.ফ. ম আবদুল হক এক যুগেরও বেশী সময় নোয়াখালীর মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। একজন চিকিৎসক হিসেবে তিনি যেখানেই দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন সেখানেই প্রশংসা অর্জন করেছেন।

ডাঃ আ. ফ.ম আব্দুল হক ২০০২ সালে সিলেট ওসমান গনি মেডিকেল কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষকরে ২৪তম ব্যাচে বিসিএস দেন,

তিনি নিজ উপজেলা সাস্থ্যকমপ্লেক্স সহ বিভিন্ন উপজেলায় চিকিৎসা সেবা প্রদান করে

বর্তমানে নোয়াখালীর আবদুল মালেক উকিল মেডিক্যাল কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন।

গতকাল (৫ সেপ্টেম্বর) রোজ- শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডাঃ আ.ফ.ম আব্দুল হকের বিরুদ্ধে রুগি নাদেখার অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। অভিযোগে বলাহয় গত (৪সেপ্টেম্বর) শুক্রবার প্রায় রাত ১২ টার দিকে বাবার বয়সি রুগিকে না দেখে হাসপাতালের সামনে থেকে বাসায় চলেযান ডাঃ আ.ফ. ম আব্দুল হক।

এই বিষয়ে একুশ জার্নাল প্রতিনিধির সাক্ষাতকারে ডাঃ আ.ফ.ম আব্দুল হক বলেন প্রথমত, আমি শুক্রবার বিকেলে হাসপাতালে ডিউটি করিনা,প্রতিদিনের ন্যায় এমনিতে হাসপাতালে ঘুরতে এসেছিলাম,রাত অনেক হয়ে যাওয়ায় আমি সকলের কাচথেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর একজন বৃদ্ধ রুগিকে নিয়ে আসে তার ছেলেরা,আমাকে দেখার জন্য বল্লে আমি তাদের বলেছি হাসপাতালে ইমারজেঞ্চিতে ডাক্তার আছেন এবং ডিউটি ডাক্তারও আছেন ভিতরে নিয়ে যান, কিন্তু তারা আমি কেনো দেখবোনা এই মর্মে অসাধু আচরণ করেন রাস্তায় দাড়িয়ে।

তিনি আরো বলেন,আমার যদি ডিউটি না থাকে এবং আমার জায়গায় যদি অন্ন ডাক্তার উপস্থিত ডিউটিতে থাকেন তাহলে তার কাজে আমি হাত দেয়া সম্পূর্ন অন্নায়, তাছাড়াও আমি তাদের বলেছি যদি ইমারজেঞ্চি ডাক্তার আমাকে প্রয়োজন মনে করেন আমি দেখবো,কিন্তু তাদের ভূমিকা ছিলো আমি রুগি দেখতেই হবে।

সেন্ট্রাল হাসপাতালে কর্মরত একজন সিনিয়র দায়ীত্বশীল বলেন, সেই সকাল ৭ টায় বের হয়ে কখনো কখনো রাত ১ টা ২ টাও বাজে বাসায় ফিরতে স্যারের, সারাদিন রুগি নিয়ে কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে বাসায় গেলেও অনেক সময় গভির রাতেও ফিরে আসতে হয় হাসপাতালে রুগির সেবায়,করোনা কলীন সময়ে নোয়াখালীর আবদুল মালেক উকিল মেডিক্যাল কলেজ সহ নিজ হাসপাতাল সেন্ট্রালে রাত দিন রুগি নিয়ে সময় কাটিয়েছেন ডাঃ আব্দুল হক স্যার,তিনি গরিব রুগিদের ভিজিট কমিয়ে নেয়া,ফ্রি ঔষধ দেয়া সহ সর্বোচ্চ ধর্মিয় ও সামাজিক কাজে এগিয়ে আসেন প্রায়। নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও করোনার মধ্যে প্রতিদিন যেই মানুষটি শতশত রুগি দেখেছেন এবং রুগিদের সেবা দিয়েছেন আজ সেই মানবিক ডাক্তারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার দেখতে হবে এটা আমাদের জন্য কষ্টদায়ক।

তিনি আরো বলেন, একজন মানুষ কতটা অধম হলে ডাক্তারকে ধমক দিয়ে সেবা নেয়ার চিন্তা করতে পারে? ডাঃ আব্দুল হক স্যারের মত এমন একজন সম্মানি ব্যক্তির সাথে অসাধু আচরণে আমরা হাসপাতালে কর্মরত দায়ীত্বশীলগন তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই,আমাদের দাবী যারা স্যারের বিরুদ্ধে অহেতুক মিথ্যে অপবাদ এবং অসাধু আচরণ করেছে তাদের দৃষ্টান্ত শাস্তির ব্যবস্থা করাহোক।

উল্লেখ্য, ডাঃ আ.ফ.ম আব্দুল হকের বিরুদ্ধে যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছেন তাদের কমেন্টস বক্স ঘুরে এসে দেখা যায় প্রায় ৯৮% কমেন্টসকারী ডাক্তার আব্দুল হকের পক্ষেই আবেগঘন সমর্থন দিয়ে কমেন্টস করেছেন।