গাড়ির চালকের আসন মোড়ানো হল প্লাস্টিকে, করোনা থেকে বাঁচতে অভিনব পদ্ধতি

একুশে জার্নাল ডটকম

একুশে জার্নাল ডটকম

মে ২৮ ২০২০, ১৯:২২

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনা সতর্কতায় অভিনব ব্যবস্থা বাগডোগরা বিমানবন্দরের গাড়ির চালক ও মালিকদের। বিমানে করে যারা আসছেন , তারা বাড়ি ফিরছেন এই সব গাড়ি করে৷ তাই এই সতর্কতা৷

গাড়ির চালকের আসন মোড়ানো হল প্লাস্টিকে, করোনা থেকে বাঁচতে অভিনব পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে।

লকডাউন চলছে। ফের বাড়বে লকডাউনের মেয়াদ। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু পরিসেবায় ছাড় দেওয়া হয়েছে। পঞ্চম দফার লকডাউনে আরও বেশ কিছু পরিসেবায় ছাড় দিতে পারে রাজ্য এবং কেন্দ্র। কেন্দ্রের নির্দেশ মতোই শুরু হল বিমান পরিসেবা। আপাতত দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরের মধ্যেই ওঠা নামা করবে বিমান। ভিন্ন রাজ্যে আটকে থাকা উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও সমতলের বাসিন্দারা ফিরছেন ঘরে।

 

গোটা দেশেই আজ থাবা বসিয়েছে মরণ ভাইরাস করোনা। থার্মাল চেকিংয়ের পরই যাত্রীদের বিমানে উঠানো হচ্ছে। তবু সাবধানতার মার নেই! লকডাউনের জেরে ২ মাসের বেশি সময় ধরে বসে আছেন বিমানবন্দরের গাড়ি চালকেরা। এবার এই পরিসেবা চালু হচ্ছে। পর্যটক নয় স্থানীয়রাই ফিরবেন বিভিন্ন রাজ্য থেকে। আর তাই অভিনব উপায় বের করেছে মালিক এবং চালকদের সংগঠন। করোনার হাত থেকে বাঁচতে চালকের সিট মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে প্লাস্টিকের কভারে। যাতে কোনোভাবেই ভিন রাজ্য থেকে আসা যাত্রীদের সঙ্গে চালকের সংস্পর্ষ না হয়।

নিজেদের ভাবনা থেকেই এই উপায় বের করেছেন তাঁরা। সংগঠনের সদস্য সিরাজ ভৌমিক জানান, চালকদের জীবন বাঁচাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেননা গাড়ি তো চালাতেই হবে। পাশাপাশি গাড়িতেই থাকছে হ্যাণ্ড স্যানিটাইজার। চালক এবং যাত্রী উভয়ের জন্যেই মাস্ক বা ফেস কভার বাধ্যতামূলক। যাত্রীদেরও হ্যাণ্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে নিয়েই চলতে হবে। করোনা সতর্কতা হিসেবেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতে যাত্রী এবং চালক উভয়েরই স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকবে।

পাশাপাশি সংগঠনের পক্ষ থেকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো হয়েছে, যাতে প্রতিটি গাড়িকে প্রবেশের মুখে স্যানিটাইজেশন করা হয়। কোভিড-১৯ প্রোটোকল মেনেই বিমানবন্দরে গাড়ি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। বিমানবন্দরের প্রতিটি গাড়িতেই নেওয়া হবে এই ব্যবস্থা। করোনা সতর্কতা হিসেবেই এছাড়া যে বিকল্প পথ খোলা নেই। কেননা আর কত দিন ঘরে বসে থাকা যায়। পরিসেবা চালু না করলে সংকট আরো বাড়বে।

সুত্র: নিউজ ১৮ বাংলা