গণতন্ত্র ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থা
একুশে জার্নাল ডটকম
জুন ১৯ ২০১৯, ১৯:৪৪
আবুল কালেম আদিল
গণতন্ত্র একটি ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থা। আল্লামা ইকবাল যথার্থ বলেছেন, ‘গণতন্ত্রে মানুষকে গণনা করা হয়, ওজন করা হয় না।’ গণতন্ত্রে সংখ্যাই বিচার্য। দেশের সবচে অচেতন ও সবচে সচেতন— ভোটদানে দুজনের অধিকার সমান। কোথাও নির্বাচন হলে পরদিন পত্রিকায় সচিত্র প্রতিবেদন হয়, ‘একশ বছরের বৃদ্ধার ভোটদান’। বিবরণ পড়ে জানা যায়, দৃষ্টিশক্তিহীন ও প্রায় চেতনালুপ্ত বৃদ্ধা নিকটাত্মীয়ের সহযোগিতায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সুষ্ঠু ভোটের নিদর্শন হিসেবে এসব ঘটনার উদাহরণ টানা হয়। ভোটদান এ ধরনের মানুষের অধিকার হয় কীভাবে, বোঝা মুশকিল। রাষ্ট্রের পরিচালক নির্বাচনের জন্য সচেতন ও বাহ্যজ্ঞান সম্পন্ন লোকের মতামতই অগ্রগণ্য হওয়া উচিত।
যে দেশের মানুষ যত সচেতন, গণতান্ত্রিকভাবে
গণতন্ত্র পশ্চিমা প্রজেক্ট। এই ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থাটা নিয়ে তাদের গর্বের শেষ নেই। কিন্তু গণতান্ত্রিকভাবে
যেসব দেশে পশ্চিমা প্রভাব বিদ্যমান, সেসব দেশের ইসলামপন্থীদের জন্য এর মধ্যে ভাবনার খোরাক আছে। যদি গণতান্ত্রিকভাবে
বিষয়টা এত সহজ নয় আসলে। গণতন্ত্র ত্রুটিপূর্ণ হলেও অনিবার্য বাস্তবতা। ধর্মীয় শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষা পৃথিককরণ একটি সেক্যুলার ধারণা। শিক্ষার বিভাজনের মাধ্যমে রাষ্ট্র থেকে ধর্ম পৃথক করা হয়েছে। সেক্যুলার ধারণা বলে আপনি মাদরাসা-শিক্ষার
গণতন্ত্র ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থা। কিন্তু এই ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থাটাই ‘বর্তমান প্রচলিত’ অন্য তন্ত্রমন্ত্রের চেয়ে তুলনামূলক ভালো, কোনোরূপ নির্বাচন ছাড়া জনগণের ঘাড়ে চেপে বসার তুলনায়। গণতান্ত্রিকভাবে



