গণকমিশনের শ্বেতপত্র দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি পরিকল্পিত অপরাধ: মুফতী ফয়জুল করীম

একুশে জার্নাল ডটকম

একুশে জার্নাল ডটকম

মে ২৮ ২০২২, ২৩:০১

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী ফয়জুল করীম বলেছেন, বাংলাদেশ একটি প্রান্তিকতা অতিক্রম করছে। বিশ্ব রাজনীতির নানা ধরনের টানাপোড়ন, দেশে ভোটবিহীন সরকারের দীর্ঘ শাসন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি ও নাগরিক অস্থিরতার এই সময়ে ঘাদানিকের মিথ্যা তথ্যে পরিপূর্ণ এই শ্বেতপত্র বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্রের অংশ।

আরও পড়ুন’ জেলায় জেলায় গণকমিশনের বিরুদ্ধে মামলা করুন: ববি হাজ্জাজ

শনিবার (২৮ মে) বিজয়নগরস্থ একটি রেস্তোরায় জাতীয় ওলামা মাশায়েখ পরিষদ আয়োজিত নাগরিক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার অন্যতম ভিত্তি হলো ইসলাম। ইসলামের ভিত্তি আমাদেরকে ভারতে একাকার হওয়া থেকে রক্ষা করে। আর উলামায়ে কেরাম ও মাদ্রাসাসমূহ নিরবিচ্ছিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনতার মাঝে ইসলাম বোধ জাগ্রত করেছে। ঘাদানিক সেই উলামাদেরকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। যাতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের একটি ভিত্তিকে দুর্বল করে দেওয়া যায়।

মুফতী ফয়জুল করীম আরও বলেন, ভারত দেশকে অস্থিতিশীল করতে চক্রান্ত করছে আর যারা তাদের দালাল হয়ে এদেশে কাজ করছেন আমাদের তাদের চিহ্নিত করতে হবে। কারণ ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে আলাদা একমাত্র রেখা হচ্ছে আলেম-ওলামা ও ইসলাম।

তিনি বলেন, প্রয়োজনে ফতোয়া বোর্ড গঠন করা উচিত। যারা ভারতের দালাল হয়ে ইসলাম, এদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও আলেম-ওলামাদের বিপক্ষে গিয়ে পক্ষপাতিত্ব করছেন, তাদের জানাজার নামাজ পড়ানো যাবে না এবং কোনো মুসলমানের কবরস্থানে তাদের দাফন করা যাবে না এই মর্মে ফতোয়া বোর্ড হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, আমরা যদি মরার জন্য ঐক্যবদ্ধ হই তাহলে কেউ মরবো না, কেউ আমাদের কোনো কিছু করতে পারবে না কিন্তু বেঁচে থাকার জন্য যদি বিচ্ছিন্নভাবে নিজে নিজে বেঁচে থাকতে চাই তাহলে কেউ বেঁচে থাকতে পারবো না। তাই আসুন দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব-ভূখন্ড, ঈমান ও ইসলামের স্বাধীনতা রক্ষায় সবাই ঐক্যবদ্ধ হই।

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সভাপতি মাওলানা নুরুল হুদা ফয়েজীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের পরিচালনায় সভায় আরও আলোচনা করেন অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী দেওনার পীর, এবিপার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, এন.ডি.এম-এর চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর আব্দুল লতিফ মাছুম প্রমুখ।