কোন মুসলমান মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিতে পারে না -আল্লামা বাবুনগরী

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

এপ্রিল ০৪ ২০১৯, ২২:২৫

 

হাবীব আনওয়ার

বার্তমান সারা বিশ্বে মুসলমানরা নির্যাতিত, অপমানিত! এর একমাত্র কারণ, মুসলমানরা আজ আল্লাহর নবীর দেখানো পথ থেকে সরে বিধর্মীদের দেখানো পথে চলা শুরু করেছে। মুসলমানদের সাংস্কৃতি ছেড়ে হিন্দুয়ানী সাংস্কৃতির দিকে আগ্রসর হচ্ছে। মুসলমানরা তাদের ইতিহাস ঐতিহ্য ভুলে গিয়েছে। যার ফলে চর্তুরমূখী ষড়যন্ত্রে মুসলমানরা আজ দিশে হারা।

আজ ৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার হাটহাজারী উপজেলা অডোটেরিয়ামে সামাজিক সংগঠন” অপ্রতিদ্বন্দ্বী ” উদ্যোগে আয়োজিত বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা ছা. এর জীবন কর্ম-শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির আলোচনায় হাটহাজারী আরবি বিশ্ব বিদ্যালয়ের সহকারী পরিচলক, হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী এসব কথা বলেন।

মাও. এমরান সিকদার এর উপস্থাপন ও হাটহাজারী মাদরাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস আল্লামা আহমাদ দীদার কাসেমী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, মাও. গোলাম রব্বানী ইসলামাবাদী, মাও. নূরুল আবাসার আজহারী, মুফতী হারুন ইযহার, মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, মাও. মীর ইদরিস, মাও. নাসির উদ্দিন মুনির প্রমুখ।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, কোন মুসলমান বিধর্মীদের উৎসব বৈশাখী মেলা, মঙ্গল শোভাযাত্রা, পুঁজা ইত্যাদি অনুষ্ঠানে যেতে পারে না।মুসলমানদের নিজস্ব সাংস্কৃতি আছে।মুসলমানরা সেগুলো মানবে। আল্লাহর রাসূলের দেখানো পথে চলবে। কিন্তু দুঃখজনক বর্তমান মুসলমানরা আজ অনৈসলামিক সাংস্কৃতির দিকে ধাবিত হচ্ছে।

আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন, আজ আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ইসলাম বিরোধীদের দখলে। কলেজ ভার্সিটিতে বোরকা পরলে তাকে জঙ্গী বলা হয়। বর্তমান সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে। মনে রাখবেন সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থা কখনো শান্তি দিতে পারবে না।যদি শান্তি চান তাহলে রাসূলের সীরাত থেকে শিক্ষা নিন। কলেজ ভার্সিটিতে রাসূলের সীরাত পড়ান।রাসূলের দেখানো সাংস্কৃতি সমাজে ছড়িয়ে দিন।দেখবেন সমাজ ও রাষ্ট্র শান্তিতে থাকবে।

এসময় জগ্রত কবি মুহিব খানকে সুস্থ সংস্কৃতি সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীর উপস্থিতিতে জাগ্রত কবি মুহিব খান মনোমুগ্ধকর ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশন করেন।