উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশে মৃত্যুর হার কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

একুশে জার্নাল ডটকম

একুশে জার্নাল ডটকম

আগস্ট ২৪ ২০২০, ১৭:৩৪

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, এখন করোনায় আমাদের অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় মৃত্যুহার কম। আক্রান্তও কমে আসছে। তাছাড়া অনেকেই টেলিমেডিসিন সেবা নিয়ে বাসায় সেরে উঠছেন। তাই কোভিড হাসপাতালগুলোয়ও ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ সিট খালি পড়ে আছে। এসব হাসপাতালের বেশ কিছুকে শিগগির আমরা নন-কোভিড হাসপাতালে রূপান্তরিত করব।

সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব রোধে তাইওয়ান সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

‘কোভিড-১৯ থেকে জনগণকে মুক্তি দিতে যেখান থেকে দ্রুত ও সাশ্রয়ী মূল্যে কার্যকর ভ্যাকসিন বা টিকা পাওয়া যাবে সেখান থেকেই সংগ্রহ করা হবে’ বলে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘ইতোমধ্যে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ ভ্যাকসিন উৎপাদনের অ্যাডভান্স স্টেজে চলে গেছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, চায়নার বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও রাশিয়া অ্যাডভান্স স্টেজে আছে। এছাড়া আমেরিকায় ফাইজা এবং মডার্না অ্যাডভান্স স্টেজে আছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা গত জুলাই মাসেই এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা আমাদের জানান যে, যখন তারা ভ্যাকসিন পাবে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে তারা ২০ শতাংশ পর্যন্ত দিতে পারবে। এমন আশ্বাস তাদের কাছ থেকে আমরা পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘অন্যান্য দেশের যেসব প্রতিষ্ঠান ভ্যাকসিন উৎপাদনে এগিয়ে আছে তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ আছে। এসব বিষয় প্রধানমন্ত্রীকে আমরা জানিয়েছি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীই নেবেন। যখন সময় হবে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আমরা সিদ্ধান্ত পেয়ে যাব। সে সিদ্ধান্ত পেলেই আমরা জানাতে পারব।’

রাশিয়ায় ইতোমধ্যে করোনার ভ্যাকসিন বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ কি সে ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য কোনো চেষ্টা চালাচ্ছে- জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘সবার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হচ্ছে। আমাদের অ্যাম্বাসি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুই জায়গা থেকেই যোগাযোগ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতরও এ বিষয়ে অবহিত আছেন। সব জায়গায় যোগাযোগ করা হচ্ছে সময় মতোই আমরা ভ্যাকসিন পেয়ে যাব।’

চীনা আবিষ্কৃত ভ্যাকসিনের বাংলাদেশে ট্রায়ালের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যখন এটির সিদ্ধান্ত হবে তখন আমরা ট্রায়াল করব।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান, ঢাকায় তাইওয়ান ট্রেড সেন্টারের পরিচালক তিমথি ডব্লিড. ডি. সো, ম্যানেজার রঞ্জন চক্রবর্তী প্রমুখ।