যমুনা টিভিতে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

অক্টোবর ২৬ ২০১৯, ১৫:০৭

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভি’তে নুসরাত হত্যাকান্ডে সাজাপ্রাপ্ত কয়েকজনকে ছাত্রশিবিরের কর্মী উল্লেখ করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির।

এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ড.মোবারক হোসাইন ও সেক্রেটারি জেনারেল সিরাজুল ইসলাম বলেন, দায়িত্বহীন নির্লজ্জ সাংবাদিকতার একটি ঘৃন্য নজির হচ্ছে যমুনা টিভির এ প্রতিবেদন। প্রতিবেদনে তড়িঘড়ি করে কোন প্রকার তথ্য প্রমাণ ছাড়াই মুখস্তবুলি আওড়িয়ে নুসরাত হত্যাকান্ডে কয়েকজনকে ছাত্রশিবিরের কর্মী উল্লেখ করে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। অথচ এদের সাথে ছাত্রশিবিরের দূরতম সম্পর্ক নেই। বরং খুনিরা চিহ্নিত ছাত্রলীগ ও আ.লীগ কর্মী। অন্যদিকে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জামায়াত শিবির ছাত্রলীগ আ.লীগের লোকজন মিলে এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। কতটুকু ভারসাম্যহীন হলে এমন কান্ডজ্ঞানহীন অপপ্রচার করা যায় তা আমাদের বোধগম্য নয়। সম্পূর্ণ মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, শুধুমাত্র জনগণকে বিভ্রান্ত করার হীন মানসেই এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তবে জনগণ বোকা নয়। যমুনা টিভির এ প্রতিবেদনটি নিয়ে ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে এবং যমুনা টিভিকে ধিক্কার জানাচ্ছে জনগণ। আসলে এটা কোন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন নয় বরং একটি ভারসাম্যহীন, অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতিবেদন এবং হলুদ সাংবাদিকতার একটি নমুনা মাত্র।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীদের কোন অপকর্ম দেশবাসীর কাছে প্রকাশ পায় তখনই এ ধরনের গণমাধ্যমগুলো সে অপকর্মকে আড়াল করতে উঠে পড়ে লেগে যায়। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ধারাবাহিক বর্বরতার জন্য এসব গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণও অনেকাংশে দায়ী। এমন দায়িত্বহীন কর্মকান্ড কোনভাবেই সুস্থ সাংবাদিকতার পরিচায়ক নয়।

নেতৃবৃন্দ এ ধরনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক ও গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।