৫ জানুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

জানুয়ারি ০৫ ২০২১, ২২:৫৫

৫ জানুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে
-পীর সাহেব চরমোনাই

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, ৫ জানুয়ারি ২০১৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দল ও জনদাবিকে অগ্রাহ্য করে একতরফা ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার নির্বাচনের কোমর ভেঙ্গে দিয়েছে। সরকার নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে দেশে একনায়কতন্ত্র শাসন চালু করেছে।

আজ ৫ জানুয়ারি ২০২১ এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ৫ জানুয়ারী ২০১৪ জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে এক নজীরবিহীন কালো অধ্যায় সৃষ্টি করা হয়েছে। সেদিন নির্লজ্জ একতরফা নির্বাচন করার উদ্দেশ্যই ছিল একদলীয় সরকার কায়েম এবং জনসমর্থনহীন একটি তামাশার নির্বাচনের মাধ্যমে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে। জনমতকে তোয়াক্কা না করে, সকল বিরোধী দলের দাবিকে অগ্রাহ্যের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

তিনি বলেন, যারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার জন্য আন্দোলন করেছিল তারাই আজীবন ক্ষমতায় থাকার জন্যে সেই ব্যবস্থাটি সংবিধান থেকে মুছে দেয়। পীর সাহেব বলেন, দেশে নিষ্ঠুর একনায়কতন্ত্র ও কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা চলছে।

পীর সাহেব বলেন, দেশে এক ভয়াবহ শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে। বিরোধী কণ্ঠ, মত ও পথকে নিশ্চিহ্ন করে বেপরোয়া দেশ শাসন করতে গিয়ে জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের আকাশচুম্বী মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যূৎ, পানি ও গ্যাসের ভুতুড়ে বিলে স্বল্প আয়ের মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। আর এসব নিয়ে যাতে কোন প্রতিবাদ না হয় সেজন্য নাগরিক অধিকার ভুলণ্ঠিত করা হয়েছে। এখন প্রতিদিন নির্মম নিষ্ঠুরতায় বিরোধী দলের কর্মসূচিকে বানচাল করতে সাজানো প্রশাসনকে বেপরোয়াভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি ধর্মীয় সভা-সমাবেশ, ওয়াজ মাহফিলও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। যা দেশের জন্য অশুভ ইঙ্গিত।