স্কুল খুলে দেবো: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

একুশে জার্নাল ডটকম

একুশে জার্নাল ডটকম

জানুয়ারি ৩১ ২০২১, ১৬:১০

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরেক দফায় আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে কয়েক দফায় বন্ধ রয়েছে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এরইমধ্যে ফেব্রুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হতে পারে বলে সরকারের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। তবে শনিবার (৩০ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারি মাসটা পর্যবেক্ষণ করে মার্চে ক্লাস শুরুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

এ অবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খোলা হতে পারে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেছেন, ‘এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে ইনশাল্লাহ। স্কুল খুলে দেবো।’ আজ রোববার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এরইমধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এজন্য সময় দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ, উচ্চ মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তুরযুক্ত উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খোলার জন্য প্রস্তুত কিনা, আর প্রস্তুত না হলে কেন তা জানতে চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। গত ২২ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত একটিগাইড লাইন সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা হয়েছে।

এটি বাস্তবায়নে সকল আঞ্চলিক পরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা কি নিজ অঞ্চল, জেলা এবং উপজেলার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা পরিবীক্ষণের মাধ্যমে নিশ্চিত করে ই-মেইলের মাধ্যমে জানাতে হবে। গত বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) মাউশির মনিটরিং এন্ড ইভ্যালুয়েশন উইং এর সহকারী পরিচালক মোহছেনা বেগম স্বাক্ষরিত এক স্মারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এটি সকল আঞ্চলিক পরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২২ জানুয়ারি এক নোটিশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খোলার জন্য গাইডলাইন অনুযায়ী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে গ্রহণ করতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছিল মাউশি। নোটিশটিতে সই করেছিলেন মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক।