মাধবপুরে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ কাজ শুরু

শেখ জাহান রনি, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সদরে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়।

বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ সকাল ১০ টায় মাধবপুর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ নির্মাণ কাজ শুরু হয় মাধবপুর পৌরসভার পশ্চিম মাধবপুর সদরে।

দেশের উন্নয়ন ও দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে কারিগরি শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। এরইমধ্যে ১০০ টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে।

মাধবপুর টেকনিকেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নির্মাণ কাজ শুরু উপলক্ষে মাধবপুর পৌর মেয়র হিরেন্দ্র লাল সাহা এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ ও টিকাদার মোঃ ইমাম আলীর উপস্থিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন, সাবেক প্রেসক্লাব সভাপতি আলাউদ্দিন আল-রনি, মাধবপুর পৌরসভার মৈয়র হিরেন্দ্র লাল সাহা বলেন, স্টেপ-এর মূল উদ্দেশ্য কারিগরি শিক্ষায় সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং প্রশিক্ষণের গুণগতমান বৃদ্ধি, বিদেশে দক্ষ জনশক্তি সরবরাহ করা, তিনি আরও বলেন এই টেকনিকেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাধবপুর সদরে প্রতিষ্ঠিত করতে অনেকে সহযোগিতা করেছেন এর মাঝে অন্যতম হলেন হবিগঞ্জ-৪ আসনের এম,পি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এ্যাড মাহবুব আলী স্যার।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, মাধবপুর উপজেলা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, আদাঐর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফারুক পাঠান, কাউন্সিলর দুলাল খাঁ, মাধবপুর বাজার কমিটির সভাপতি মনোজ পাল, মাধবপুর প্রেমদাময়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুসা মিয়া, সাংবাদিক আলাউদ্দিন আল রনি, টিকাদার মোঃ ইমাম আলী, টিকাদার হাজী ফিরোজ মিয়া।

এতে উপস্থিত ছিলেন, টিকাদার বেনু রঞ্জন রায়, মাধবপুর পৌরসভার কাউন্সিলর মোঃ আবুল বাসার, বাবুল হোসেন,অজিত পাল, বিশ্বজিত দাস , মহিলা কাউন্সিলর ইশরাত জাহান ডলি, সাংবাদিক আবুল খায়ের, শেখ জাহান রনি প্রমূখ।

উল্লেখ্য, কারিগরি শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে স্কিলস অ্যান্ড ট্রেনিং অ্যানহ্যান্সমেন্ট প্রোগ্রাম (স্টেপ) একটি বড় প্রকল্প। ১৭ হাজার ১৮২ কোটি টাকার এ প্রকল্পটি বিশ্ব ব্যাংক, কানাডা ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত। এতে বিশ্বব্যাংক ৮০ শতাংশ, কানাডা ৭ শতাংশ এবং ১৩ শতাংশ অর্থায়ন করেছে বাংলাদেশ। পাঁচ বছর মেয়াদী প্রকল্পটি ২০১০ সালে শুরু হয়। পরবর্তীতে এর মেয়াদ বাড়ানো হয়। প্রায় ৯ বছরের প্রকল্প এটি।