মহানবী সা.-এর মে’রাজ; একটি সংক্ষিপ্ত আলোকপাত

একুশে জার্নাল ডটকম

একুশে জার্নাল ডটকম

ফেব্রুয়ারি ২৪ ২০২২, ২২:২৫

আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে এই পৃথিবীতে অসংখ্য নবী রাসুলদের আগমন ঘটেছে। আর তাদের নবুয়তকে সংশয়হীন ও শক্তিশালী করার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে অগণিত মুজিজা। আমাদের নবী ছিলেন সমস্ত নবীদের সরদার। সুতরাং তাঁকে দেয়া হয়েছে সবচেয়ে বেশি মু’জিজা। কিছু মু’জেজা এমনও দেয়া হয়েছে যা তাঁর জন্য একক। অন্য কাউকে দেয়া হয়নি। তন্মধ্যে মে’রাজ হল অন্যতম। মে’রাজ মানে উর্ধ্বগমন। আল্লাহ পাক তাঁর হাবীবকে একই রাতের ভিতরে প্রথমে মক্কা থেকে বায়তুল মাকদিস, অতঃপর ওখান থেকে সাত আসমান, তারপর আল্লাহর আরশে আজীম পর্যন্ত ভ্রমন করিয়ে ছিলেন। কোরআন সুন্নাহের পরিভাষায় এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে মে’রাজ কিংবা ইসরা বলা হয়। এই ঘটনা সত্য বলে বিশ্বাস রাখা ইমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কারণ ঘটনাটি কোরআনে করীমে সংক্ষিপ্ত ভাবে এবং বিশুদ্ধ হাদীসে বিস্তারিত ভাবে এবং মুতাওয়াতির সনদে বর্ণিত হয়েছে।

মিরাজ কখন সংঘটিত হয়েছিল এ বিষয়ে ঐতিহাসিকদের মতভেদ রয়েছে। তবে বেশির ভাগের মতে, নবুয়তের দশম বর্ষে রজব মাসের ২৭ তারিখ রজনীতে মিরাজের ঘটনা সংঘটিত হয়। তিবরানি (রহ.) বলেছেন, যে বছর মহানবী (সা.)-কে নবুয়ত দেওয়া হয়, সে বছরই মেরাজ সংঘটিত হয়। কারো মতে হিজরতের ১৬ মাস আগে রমজান মাসে মেরাজ সংঘটিত হয়। (আর রাহিকুল মাখতুম)

হাদিসের ভাষ্য মতে, মিরাজের সূচনা হয় মসজিদে হারাম থেকে। রাসুলুল্লাহ (সা.) রজব মাসের ২৭ তারিখের রজনীতে আল্লাহ তায়ালার ঘরের হিজরের মাঝে শায়িত ছিলেন, এমন সময় হজরত জিবরাইল (আ.) এসে তাঁকে জাগ্রত করে তাঁর বক্ষ মুবারক বিদীর্ণ করেন এবং তা থেকে দূষিত রক্ত বের করে আবার জোড়া লাগিয়ে দেন। যাকে হাদিসের পরিভাষায় ‘শাক্কুস সদর’ বলা হয়। অতঃপর বোরাক্বে করে সশরীরে বায়তুল মাকদিসে নিয়ে যান। বোরাক্ব হলো এমন একটি শুভ্র প্রাণী, যা গাধা ও খচ্চরের মাঝামাঝি আকৃতির। তার দুই উরুতে রয়েছে দুটি পাখা। তা দিয়ে সে পেছনের পায়ে ঝাপটা দেয়, আর প্রতিটি কদম দৃষ্টির শেষ সীমায় ফেলতে সক্ষম হয়। প্রিয় নবী (সা.) বায়তুল মাকদিসের দরজায় খুঁটির সঙ্গে বোরাকটি বেঁধে ওখানে যাত্রাবিরতি করেছিলেন এবং সব আম্বিয়ায়ে কেরামের ইমাম হয়ে নামাজ আদায় করেছিলেন। আর এর মাধ্যমে মূলত তিনি যে ইমামুল মুরসালিন তা প্রমাণিত হয়। (আর রাহিকুল মাখতুম)।

বায়তুল মাকদিসে দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল মসজিদ নামাজ আদায় করার পর তাঁর উর্ধ্বগমনের জন্য এমন একটি সিঁড়ি আনা হয়, যাতে নিচ থেকে ওপরে যাওয়ার জন্য ধাপ বানানো ছিল। তিনি সিঁড়ির সাহায্যে প্রথমে প্রথম আকাশে, অতঃপর অবশিষ্ট আকাশগুলোয় গমন করেন। এ সিঁড়িটি কী এবং কেমন ছিল, তার প্রকৃত স্বরূপ আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন। প্রতিটি আকাশে সেখানকার ফেরেশতারা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান এবং প্রত্যেক আকাশে অবস্থানরত পয়গাম্বরদের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। প্রথম আকাশে হজরত আদম (আ.), দ্বিতীয় আকাশে হজরত ইয়াহিয়া ও ঈসা (আ.), তৃতীয় আকাশে হজরত ইউসুফ (আ.), চতুর্থ আকাশে হজরত ইদরিস (আ.), পঞ্চম আকাশে হজরত হারুন (আ.), ষষ্ঠ আকাশে হজরত মুসা (আ.) এবং সপ্তম আকাশে হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। তিনি মে’রাজ থেকে এসে সাহাবায়ে কেরামের কাছে হজরত ঈসা ও মুসা (আ.)-এর আকৃতিরও বর্ণনা করেন। নবীদের স্থানগুলো অতিক্রম করে এক ময়দানে পৌঁছেন। যেখানে ভাগ্যলিপি লেখার শব্দ শোনা যাচ্ছিল। তারপর তিনি সিদরাতুল মুনতাহা গমন করেন, যেখানে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে স্বর্ণের এবং বিভিন্ন রঙের প্রজাপতি ছোটাছুটি করছিল। ফেরেশতারা স্থানটি ঘিরে রেখেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) সেখানে হজরত জিবরাইল (আ.)-কে তাঁর স্বরূপে দেখেন। তাঁর ছয়শ পাখা। সেখানে তিনি একটি দিগন্তবেষ্টিত সবুজ রঙের ‘রফরফ’ দেখতে পান। রফরফ হলো সবুজ রঙের গদিবিশিষ্ট পালকি। রফরফের মাধ্যমে তিনি স্বীয় রবের কাছে গমন করেন।

এ সফরে তাঁকে কয়েকটি জিনিস দেখানো হয়। তাঁকে দুধ ও শরাব দেওয়া হয়েছিল। তিনি দুধ গ্রহণ করেন। এটা দেখে হজরত জিবরাইল (আ.) বলেন, আপনি স্বভাবগত বস্তু গ্রহণ করেছেন। আপনি মদ গ্রহণ করলে আপনার উম্মত পথভ্রষ্ট হয়ে যেত। নবীজিকে জান্নাত ও জাহান্নাম দেখানো হয়। জাহান্নামিদের শাস্তিও তিনি অবলোকন করেন। জাহান্নামের দারোগা মালেককে দেখেছেন, তিনি বিষন্ন। তাঁর চেহারায় হাসির কোনো চাপও নেই।

মহানবী (সা.)-এর এই মেরাজ সশরীরে হয়েছে। তাঁর দেহ ও আত্মা উভয়ই মিরাজে গমন করেছে। কেননা আল্লাহ তায়ালা প্রিয়নবী (সা.)-এর মেরাজ গমনকে তাঁর এক বিশেষ মুজিজা হিসেবে গুরুত্ব সহকারে কোরআন মজিদে বর্ণনা করেছেন। যদি মেরাজ গমন কেবল আত্মিক হতো, তবে তা তার মুজিজা হতো না। কেননা মুজিজা কখনো গায়রে নবী থেকে প্রকাশ পেতে পারে না। অথচ বেহেশত, দোজখ, আরশ, কুরসি পর্যন্ত কোনো কোনো আউলিয়াও আত্মিকভাবে সফর করতে পারেন। অবশ্য কোনো অলি সশরীরে তথায় গমন করতে অক্ষম। সুতরাং মেরাজ গমন সশরীরে সংঘটিত হয়েছে বলে স্বীকার করলেই তা মুজিজা হিসেবে গণ্য হয়। কোরআন মজিদে বর্ণিত সূরা ইসরার প্রথম আয়াতের শব্দের প্রতি বিশেষভাবে দৃষ্টিপাত করলে এটাই সুস্পষ্ট দেখা যায় যে, মহানবী (সা.)-এর মেরাজ গমন সশরীরেই সংঘটিত হয়েছিল।

মেরাজের আশ্চর্যজনক ও তৎপর্যপূর্ণ ঘটনায় বিশ্বনবি (সা.)-এর সম্মান ও উচ্চ মর্যাদাই প্রকাশ পেয়েছে। মেরাজের এ ঘটনায় বিশ্বাস স্থাপন করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য তার আক্বিদা-বিশ্বাসের অংশও বটে। মেরাজের ঘটনায় মুসলিম উম্মাহর জন্য রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।

এই ঘটনা থেকে মুমিনের হৃদয়ে আমাদের প্রিয় নবী (সা.) যে আল্লাহ তায়ালার কাছে কত দামি ও মর্যাদার অধিকারী ছিলেন তা সুস্পষ্ট হয়ে যায়। কারণ এই ঘটনার মাধ্যমে তাঁকে এমন মর্যাদা দান করা হয়েছে, যা অন্য কোনো নবীকে দান করা হয়নি। এ ঘটনার ফলে মুমিনের ঈমান আরো মজবুত হয় এবং হৃদয়ে বিশ্বনবী (সা.)-এর ভালোবাসা আরো সুগভীর হয়। তাছাড়া মে’রাজের রজনীতে আল্লাহ তা’লা তাঁর হাবীবকে আরশে আজীমে দাওয়াত করে নিয়ে পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামাজ হাদিয়া করেন। অবশেষে তাঁর উম্মতের জন্য সহজ করনার্থে পঞ্চাশ ওয়াক্ত থেকে পাঁচ ওয়াক্তে আনেন এবং এই পাঁচ ওয়াক্ত আদায়ে পঞ্চাশ ওয়াক্তের সওয়াব প্রদান করেন। নামাজ মূলত নবীজির উম্মতের জন্য মে’রাজ স্বরূপ। কারণ নামাজের ভিতরে মুমিনগণ আল্লাহর সাথে কথা বলার সৌভাগ্য লাভ করে থাকে।

বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মেরাজ নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক বই পুস্তক প্রণীত ও প্রচলিত হয়েছে। যাতে অনেক বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি রয়েছে। যা মানুষকে বিভ্রান্তির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং মে’রাজ সম্পর্কিত তথ্য নির্ভরযোগ্য হাদিসের আলোকেই গ্রহণ করতে হবে।

ইতিমধ্যে যা আলোচনা করলাম; হাদিসের আলোকে এটি ছিল বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মেরাজের সংক্ষিপ্ত চিত্র। এ সফরে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো অনেক কিছু নিজ চোখে দেখেছেন। বিভিন্ন হাদিসে তিনি তা বর্ণনা করেছেন।

এ রাতে বিশ্বনবি সা. জাহান্নাম পরিদর্শনে গেলে মালেক নামক জাহান্নামের প্রধান রক্ষী নবীজীকে সালাম ও অভ্যর্থনা জানান। (মুসলিম)

এমন এক দল লোকের পাশ দিয়ে নবীজী গমন করেছিলেন, যাদের নখ ছিল তামার। এই নখ দ্বারা তারা স্বীয় মুখমন্ডল ও বক্ষ আচঁড়াচ্ছিল। এদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে জিবরীল আ. নবীজীকে জানালেন, এরা সেই লোক, যারা দুনিয়াতে মানুষের গোশত ভক্ষণ করত। অর্থাৎ একে অপরের গীবত ও মানহানি করত। অন্য এক বর্ণনা দ্বারা জানা যায়, বরং দুনিয়াতে গীবতকারী এসব লোকদেরকে মৃত ভক্ষণ করতে দেখেছিলেন নবীজী। (মুসনাদে আহমাদ)

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জান্নাতও দেখানো হয়েছিল। (তিরমিজি)

নবীজী জান্নাতে প্রবেশ করে একপাশে একটি হালকা আওয়াজ শুনতে পেলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, এটা কিসের আওয়াজ? জিবরিল বললেন, মুয়াযযিন বেলালের কণ্ঠ। মিরাজ থেকে ফিরে নবীজী সাহাবায়ে কেরামের উদ্দেশে বললেন, বেলাল সাফল্য অর্জন করেছে, আমি তার জন্য এমন সব মর্তবা দেখেছি। (মুসনাদে আহমাদ)

বিভিন্ন বর্ণনা দ্বারা জানা যায়, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বায়তুল মাকদিসে যাওয়া বা আসার পথে মক্কার কুরাইশদের বাণিজ্য কাফেলাও দেখতে পেয়েছিলেন। (মুসান্নেফে ইবনে আবি শায়বা)

শবে মিরাজের সকাল বেলা। নবীজী হাতীমে কাবায় চিন্তিত মন নিয়ে একান্তে বসে আছেন। মনে মনে ভাবছেন, রাত্রে সংঘটিত মিরাজ ও ইসরার কথা প্রকাশ করলে মানুষ আমাকে মিথ্যুক বলে অভিহিত করবে নাতো? ইতিমধ্যে কাছ দিয়ে যাচ্ছিল আবু জাহল। নবীজীর কাছে বসে বিদ্রোপের ছলে বলল, কোনো ব্যাপার আছে নাকি?নবীজী বললেন, ‘হ্যাঁ’। সে বলল কী? তিনি জবাব দিলেন, আজ রাতে আমার মেরাজ হয়েছে। সে বিস্ময়ের সাথে জানতে চাইলো, কতদূর পর্যন্ত যাওয়া হয়েছিল?নবীজী বললেন, বায়তুল মাকদিস পর্যন্ত। সে আরও ঠাট্টা করে বলে উঠল, চমৎকার তো! এরপর সকালেই তুমি আমাদের কাছে এসে গেলে?তিনি দৃঢ়তার সাথে বললেন, ‘হ্যাঁ’। এরপর আবু জাহল কথা না বাড়িয়ে তাঁকে বলল, আচ্ছা! আমি যদি পুরো কওমকে ডেকে নিয়ে আসি তাহলেও কি তুমি একই কথা বলতে পারবে? নবীজী আরও সুদৃঢ় হয়ে বললেন, অবশ্যই।আবু জাহল লুয়াই ইবনে কা’ব গোত্রের নাম ধরে ডাকতে লাগল। আর তারাও দলে দলে খানায়ে কাবায় সমবেত হতে লাগল। সকলে এসে উপস্থিত হলে আবু জাহল বলল, আমাকে যা কিছু তুমি শুনিয়েছিলে, পারলে তা এদের কাছেও ব্যক্ত করো।নবীজী পুনরায় একই ঘটনা তাদের সম্মুখে ব্যক্ত করলে কিছু লোক বিস্ময়ে হাতের উপর হাত রাখল। আবার অনেকেই হতবাক হয়ে মাথায় হাত দিল।তারা বলল, তাহলে তুমি কি আমাদের কাছে বায়তুল মাকদিসের অবস্থা বর্ণনা করতে পারবে? উল্লেখ্য, উপস্থিত অনেকেই বায়তুল মাকদিস সম্পর্কে সম্যক অবগত ছিল।’ (তিরমিজি)

নবীজী বলেন, আমি তাদের কাছে বায়তুল মাকদিসের অবস্থা বর্ণনা করতে লাগলাম। কিছু বিষয় আমার কাছে অস্পষ্ট মনে হচ্ছিল। মনে মনে আমি খুব চিন্তিত হচ্ছিলাম। আমি তখনও কাবার হাতীমে পুরো কওমের সামনে দণ্ডায়মান। ইতিমধ্যেই পুরো বায়তুল মাকদিস আমার চোখের সামনে উদ্ভাসিত করা হল। আকীলের ঘরের উপর উদ্ভাসিত বায়তুল মাকদিস আমি স্বচক্ষে দেখে দেখে সব কিছু নিঃসংকোচে বলতে লাগলাম।(বিশ্বনবির বর্ণনা) শুনে উপস্থিত লোকেরা মন্তব্য করল, মানচিত্র ও অবস্থা তো সঠিকই বর্ণিত হয়েছে।তখন মক্কার কোনো পথ ধরে হেঁটে যাচ্ছিলেন হযরত আবু বকর রা.। মক্কার কাফেররা তাকে এ বিস্ময়ের কথা বলে সুধাল, তবুও কি তুমি তাকে বিশ্বাস করবে?

হযরত আবু বকর রা. সুদৃঢ় কণ্ঠে বলে উঠলেন, আমি তো এর চেয়েও আরো দূরের অনেক জটিল বিষয়েও তাঁকে বিশ্বাস করি। তাঁর কাছে আসা আসমানী বার্তাসমূহের উপর রয়েছে আমার অটল বিশ্বাস ও সুদৃঢ় ঈমান। (অতএব, এটা তো অবশ্যই বিশ্বাস করব) (সূত্র-মুসতাদরাকে হাকেম)

এছাড়াও ঐতিহাসিক সূত্র মতে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মেরাজ সংক্রান্ত অনেক ঘটনাই রয়েছে উল্লেখ করার মতো। কিন্তু তা এই ছোট্র প্রবন্ধে উল্লেখ করা সম্ভব হচ্ছে না।

আল্লাহ তা’লা মুসলিম উম্মাহকে মেরাজের সঠিক ইতিহাস হৃদয়ে ধারণ করে নিজেদের ঈমানকে আরো শক্তিশালী করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখক— মাওলানা আহমদ কবীর খলীল, শিক্ষক, রেঙ্গা মাদ্রাসা সিলেট