বালাগঞ্জ ডিএন মসজিদের পলেস্তারা ভেঙ্গে পড়ছে নামাজরত মুসল্লিদের উপর!

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

আগস্ট ১৭ ২০২১, ২১:৫৩

আবুল কাশেম অফিক, বালাগঞ্জ (সিলেট) থেকে:

দেয়াল ও ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। অল্প বৃষ্টিতেই ছাদ চুয়ে পানি পড়ে। অস্বাস্থ্যকর অজুখানা, নেই টয়লেট। অবহেলা অজত্নে জীর্ণশীর্ণ ভাবে পরে আছে ঐতিহ্যবাহী সিলেটের বালাগঞ্জ সরকারি ডিএন উচ্চ বিদ্যালয়ের মসজিদ।

জানা যায়, ১৯৪৬ সালে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কিছু দিন পরে নামাজ কক্ষ নামে এই মসজিদ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত কোন সংস্কার কাজ করা হয়নি। একটু বৃষ্টি দিলে মসজিদের ছাদ বেয়ে পানি পড়ে, ছাদের পলেস্তারা খসে রড বের হয়ে এসেছে,রডে মরিচা ধরেছে পলেস্তারা খসে পরছে নামাজরত মুসুল্লিদের উপড়।

সরজমিন গিয়ে ও মসজিদের ইমাম, মুসল্লিদের কাছ থেকে জানা যায়, দীর্ঘ দিন থেকে অবেলায় অজত্নে পরে আছে এই মসজিদটি। ঝুঁকি নিয়ে নামাজ পড়ছেন মুসল্লিরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মসজিদের নিয়মিত কয়েকজন মুসল্লিরা জানান, বিদ্যালয়ে কোটি কোটি খরছ করে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হলেও মসজিদ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই একটা ইটও লাগাননি স্কুল কর্তৃপক্ষ। ফলে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নামাজ পড়তে হচ্ছে। একাধিকবার মুসুল্লি ও স্থানীয়দের কাছ থেকে চাঁদা তোলে সংস্কার করা হলেও কিছুদিন পর সেই আগেরমতো পানি ও পলেস্তারা পড়ছে। যেকোনো সময় ছাদ ভেঙ্গে মুসল্লিদের উপড় পরে বড়ধরণের দুর্ঘটনা ঘটে যেথে পারে বলে আশংকা করা যাচ্ছে।

ইমাম থাকার রুমের অবস্তা আরো নাজুক। একটু বৃষ্টি দিলে পানি জমে রুমের ফ্লোরে হাটু সমান পানি জমা হয়। বাধ্য হয়ে ইমাম অন্যত্র থাকতে হচ্ছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন যেহেতু বিদ্যালয় সরকারিকরণ হয়েছে কোন উন্নয়নমুলক কাজ করা আমাদের মধ্যে সম্ভব নয়। জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার বা পূন:নির্মাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোরদাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এব্যাপারে বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোজিমা আক্তার বলেন মসজিদ কর্তৃপক্ষকে বলেন লিখিত দিতে আমি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করবো।