বলাৎকারের প্রতিশোধ নিতে হত্যা করা হয় আলমগীরকে

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

ডিসেম্বর ২৩ ২০২০, ১৪:৫৭

নিউজ ডেস্ক:

নিষেধ করা সত্ত্বেও যৌন হয়রানি’র পাশাপাশি বলাৎকারের হাত থেকে রক্ষা পেতে ক্ষিপ্ত হয়ে পতেঙ্গার বালু ব্যবসায়ী আলমগীরকে হত্যা করেছিলো ৫ তরুণ। উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যার পর প্রমাণ না রাখতে আলমগীরের লাশ তারা সাগরেও ফেলে দিয়েছিলো। তবে জোয়ারের পানিতে ভেসে লাশ কূলে চলে আসে। হত্যাকাণ্ডের ৫দিনের মাথায় ৫ জনকে আটকের পর বের হয়ে আসে হত্যাকাণ্ডের রহস্য।

অবশেষে পতেঙ্গা এলাকার বালু ব্যবসায়ী আলমগীরের হত্যা রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। নগরীর ইপিজেড খেজুর তলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ তরুণকে গ্রেফতারের মাধ্যমে বের হয়ে আসে হত্যাকাণ্ডের রহস্য। আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিতে তরুণরা দাবি করেছে, যৌন হয়রানি এবং বলৎকার থেকে বাঁচতে তারা আলমগীরকে হত্যা করেছিলো।

ইপিজেড থানা পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এসব তরুণদের যৌন হয়রানি করে আসছিলেন বালু ব্যবসায়ী আলমগীর। ঘটনার দিন ১৮ ডিসেম্বরও নাঈমসহ তার অন্যান্য বন্ধুদের একইভাবে আলমগীর হয়রানি করে। শেষ পর্যন্ত তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যা করে লাশ সাগরে ফেলে দেয়। এমনকি হত্যাকাণ্ডের পরদিন ভোরে তারা আবার ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের অবস্থাও দেখে আসে।

নিখোঁজের একদিন পর ইপিজেড থানা পুলিশ পতেঙ্গা উপকূল থেকে বালু ব্যবসায়ী আলমগীরের লাশ উদ্ধার করে। প্রথম পর্যায়ে বেওয়ারিশ লাশ হিসাবে ধরা হলেও পরবর্তীতে তার পরিবার আলমগীরকে শনাক্ত করে।

এ ঘটনায় নিহত আলমগীরের ছেলে বাদী হয়ে ইপিজেড থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছিলো।