ফেঞ্চুগঞ্জের হাওরতলা মানিককোনা মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, কর্তৃপক্ষের প্রতিবাদ

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

আগস্ট ১৯ ২০১৮, ০৫:৩৯

ফেঞ্চুগঞ্জের হাওরতলা মানিককোনা মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, কর্তৃপক্ষের প্রতিবাদ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে জামেয়া ইসলামিয়া মুহিউসুন্নাহ হাওরতলা মাদ্রাসার দীর্ঘ একযোগেরও বেশী সময়ের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও দুটি কথিত অনলাইন নিউজ পোর্টালে একশ্রেণীর স্বার্থান্বেষী মহল লাগামহীনভাবে মিথ্যা ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়ে মাদরাসার ভাবমূর্তি বিনষ্টের অভিযোগ উঠেছে। এর পরিপেক্ষীতে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ এক প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ক্লাস চলাকালীন সময়ে ৪র্থ শ্রেণীর ৫টি শিশুকে একজন শিক্ষক যৌন নির্যাতন করলো অথচ ঐ ক্লাসের অন্যকোন ছাত্রছাত্রী দেখলো না, তা কিভাবে হতে পারে? কোন বিবেকবান মানুুষ তা বিশ্বাস করবে না।শিক্ষকরা বলেন, তবুও অভিযোগকারীদের অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে মাদরাসার সভাপতিকে অবহিত করা হলে তিনি ঈদের পর বিষয়টা সমাধানের আশ্বাস দেন। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য উঠে পড়ে লাগে। একজন উদিয়মান আলেম ও প্রতিষ্টানের মানক্ষুণ্য করতে ঘৃণ্য উপায় অবলম্বণ করে মাদরাসার ঐতিহ্য ধ্বংশের পায়তারা করছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষকের সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। ঘটনাটি বানোয়াট মিথ্যা। মাদরাসার মজলিসে শুরার সভাপতি প্রিন্সিপাল শফিকুল বারী জানান, এ ব্যাপারে অবগত হয়েছি। কারা দোষী তা ঈদের পর তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমরান উদ্দিনের সাথে আলাপ করলে তিনি জানান, একটি মহল ফেসবুকে মাদরাসার বিষয়ে লেখালেখি করছে তা দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এভাবে একটি প্রতিষ্টানের মান নষ্ট করা বেআইনি। মাদরাসা কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কথাও বলেছেন। বিষয়টা দেখা হচ্ছে।