নুসরাত ও শিশু মনির হত্যাকারীদের শাস্তির দাবীতে সিলেটে সচেতন আলেম সমাজের মানববন্ধন

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

এপ্রিল ১৩ ২০১৯, ০১:০৯

একুশে জার্নাল ডটকমঃ ফেনীর সোনাগাজী পৌর এলাকায় ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যা এবং ঢাকার ডেমরায় শিশু মনিরকে নৃশংসভাবে খুনের প্রতিবাদে ও হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে সিলেট নগরীর কোর্ট পয়েন্টে গতকাল শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বাদ জুমুআ সিলেটের সচেতন আলেম সমাজের উদ্যোগে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলেম লেখক মাওলানা মাওলানা মীম সুফিয়ানের সভাপতিত্বে, মাওলানা আহমদ যাকারিয়া ও মাওলানা লুকমান হাকিম ও মাওলানা সাইফ রাহমানের যৌথ পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুক্তস্বরের সিনিয়র সহসভাপতি প্রভাষক মাওলানা সাদিকুর রাহমান এবং প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাসেয়া মাদানিয়া কাজিরবাজারের মুহাদ্দিস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা আলী আহমদ, জমিয়ত নেতা মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মজলিস নেতা মাওলানা কে এম আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইমাম সমিতি মহানগর সভাপুতি মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব, মুফতি মুফিজুর রহমান, মাওলানা মুখলিসুর রহমান, মাওলানা কারী হারুনুর রশীদ চতুলী, মাওলানা মনজুরে মাওলা, মাওলানা রুহুল আমীন নগরী, মাওলানা কারী মুজ্জাম্মিল হুসাইন, মাওলানা আহমদ সগির, মাওলানা রফিকুল ইসলাম জাকারিয়া, মুফতি জিয়াউর রহমান, মাওলানা সিফত উল্লাহ, মাওলানা মুশফিকুর রহমান মামুন, ছাত্রমজলিস নেতা আফজাল হুসাইন কামিল, মাওলানা খালেদ আহমদ, মাওলানা ফয়সল আহমদ, ব্যবসায়ী মাওলানা আব্দুল গফুর প্রধান, মিডিয়াব্যক্তিত্ব মাওলানা ইনাম বিন সিদ্দিক, হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার, মাওলানা তাহের আব্দুল্লাহ, মাওলানা ফাহাদ আমান, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিসবাহ প্রমুখ।

মানববন্ধন থেকে ৭ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। তা হলো- নুসরাত হত্যার বিষয়টি কোনভাবেই যেন বিচারাধীন থাকার নামে ঝুলন্ত না থাকে। সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নুসরাত হত্যার সাথে জড়িত ঘাতকদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। শিক্ষক পরিচয়ে ধর্ষক অধ্যক্ষকে সর্বপ্রকার আইনী সহায়তা প্রদান থেকে বিরত থাকতে হবে। আদালতে ঘাতকদের পক্ষ থেকে যারা আইনী লড়াই করছে তাদের আইনী প্রক্রিয়ায় বয়কট করতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় ইমামকে যে নির্মমভাবে আহত করেছে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। ৩ মাসে এ পর্যন্ত ১৮৭টি ধর্ষণের ঘটনা খুবই দুঃখজনক, এসব ঘটনায় জড়িতদেরকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে অতিসত্ত্বর বিচার করতে হবে এবং দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

সংহতি প্রকাশ করে উপস্থিত হন মাদানী কাফেলা সিলেট, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস সিলেট মহানগর, মুক্তস্বর সিলেট, বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি সিলেট মহানগর, মুয়াজ্জিন কল্যাণ সমিতি সিলেট, কওমি স্টুডেন্টস ফোরাম এমসি কলেজ সিলেট, জাগরণ ইসলামি সাংস্কৃতিকদল, কলরব সিলেট, বিভিন্ন কওমি মাদরাসার ছাত্র সংসদসমূহ এবং সিলেটের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠন ও ব্যক্তিবর্গ।