দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে জনগণের জীবন দুর্বিষহ করে তোলা হয়েছে: ড. আহমদ আবদুল কাদের

একুশে জার্নাল ডটকম

একুশে জার্নাল ডটকম

মার্চ ০১ ২০২২, ২০:১৫

খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে জনগণের জীবন দুর্বিষহ করে তোলা হয়েছে। একদিকে সরকার বারবার জ্বালানী তেল, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়াচ্ছে। অন্যদিকে সরকারের প্রশ্রয়ে পুঁজিপতি শ্রেণি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল বাড়িয়ে চলছে। চাল. ডাল. তেলসহ সবখিচুর দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। জনগণের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে পারে না।

তিনি এ্যালকোহল নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা-২০২২ এর নামে নির্বিঘ্নে মদপানের বৈধতা দেযা হচ্ছে। যুবসমাজ ও তরুন প্রজন্মকে ধ্বংসের নীলনক্সার অংশ হিসেবে মদের লাইসেন্স প্রদানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অবিলম্বে এ্যালকোহল নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা-২০২২ বাতিল করতে হবে।

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতির প্রতিবাদে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

১ মার্চ (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা মহানগরী দক্ষেণের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজীজুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম তুহিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্মমহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মোঃ আবদুল জলিল, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহসভাপতি মোঃ জিল্লুর রহমান, এডভোকেট রফিকুল ইসলাম, কাজী আরিফুর রহমান, মাওলানা ফরিদ আহমদ হেলালী, ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি আহসান আহমদ খান প্রমুখ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী বলেন, আজ মানুষ নিরবে কাঁদছে। চাল-ডাল-তেলসহ নিত্যপয়োজনীয় দ্রব্যের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে। কালকে যে তেলের দাম ছিলো সাড়ে সাতশত টাকা আজকে সে তেলের দাম আট শত টাকা। এভাবে সব কিছুর দামই বাড়ছে। দ্রব্যমুল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতি দেখে মনে হচ্ছে- দেশে কোন সরকার আছে বলে মনে হয় না।্ তিনি আসন্ন মাহে রমজানের পূর্বে সকল প্রকার নিত্যপয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমানোর জোর দাবী জানান।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক মাওলানা আজীজুল হক বলেন, দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির কারণে জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। অবিলম্বে সকল প্রকার দ্রব্যের মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।