কুরবানির পশু ক্রেতা ও বিক্রেতার জন্য জরুরি সতর্কতা

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

জুলাই ২১ ২০২০, ১১:৫৬

আলী হাসান তৈয়ব


এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে অনেকেই অনলাইনে পশু কিনে কুরবানি দিতে যাচ্ছেন। অবশ্যই একটি সময়োপযোগী ব্যবস্থা। কিন্তু এক্ষেত্রে বিক্রেতারা ক্রেতা টানার জন্য যেসব ফর্মুলা অবলম্বন করছেন, তার মধ্যে একটি অবশ্যই সংশোধন করা উচিত, অন্যথায় এত টাকা দিয়ে পশু কিনে অনেকেরই কুরবানি নষ্ট হয়ে যাবে।

ক্রেতা আকৃষ্ট করতে বারবার হাইলাইট করা সঙ্গে ‘গোশত এত কেজি’। ক্রেতারাও খুচরা বাজারে কেজি প্রতি মূল্য হিসেব করে ‘লাভ-লস’ নির্ধারণ করছেন। ফলে দৃশ্যত মাংসের হিসাব-নিকাশ এবং মাংসই যেন মুখে হয়ে উঠছে। এমন হলে আপনার কুরবানি হবে না, বরং কুরবানির নিয়তি কুরবানি হয়ে যাবে।

আমরা ভুলে গেলে চলবে না, আসলে পশু জবাই না, ওই যে ‘লিল্লাহি’ বা ‘তাকওয়া’ তথা ‘নিয়তটা’ই কুরবানি। কুরআনে আল্লাহ তাআলা একেবারে পরিষ্কার করে দিয়েছেন :

‘এগুলোর গোশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, কিন্তু পৌঁছে তাঁর কাছে তোমাদের মনের তাকওয়া।’ (সূরা ইব্রাহিম : ৩৭)

‘আপনি বলুন : আমার সালাত, আমার কুরবানি এবং আমার জীবন ও মরণ একমাত্র বিশ্ব-প্রতিপালক আল্লাহর জন্যে।’ (সূরা আল-আনআম : ১৬২)

এক্ষেত্রে ক্রেতাদের আপনারা বলে দিতে পারেন, গরুর উচ্চতা বা দৈর্ঘ্য-প্রস্থ এত। আর গরুর নিট ওজন এত। কত কেজি গোস্ত শব্দ উল্লেখ না থাকায় তখন কিছুটা হলেও নিয়তের মধ্যে গোশতের ব্যাপারটা কমে আসবে ইনশাআল্লাহ।