আফ্রিকায় বাংলাদেশীদের হত্যার নেপথ্য

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

ফেব্রুয়ারি ০৪ ২০১৯, ১৪:২১

জাহেদ আহমদ: সাদা কালো হলুদ সব আল্লাহর সৃষ্টি।সবই সুন্দর,আল্লাহর দান।সব কালারের মানুষের মধ্যে ভালো মন্দের বৈশিষ্ট্য অাছে।যেখানে মুহাম্মাদ সা. সেখানে আবু জাহাল থাকাটা স্বাভাবিক।

আফ্রিকায় অনেক মানবতাবাদি মানুষ আছে।আছেন অনেক আলেম,ঈমানদার,পরহেজগার।
‘দারুলউলুম জাকারিয়া’র মত প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেখানে।যে প্রতিষ্ঠান থেকে একই পাঠ্যসূচি পড়ে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার আলেম হয়।অর্থাৎ কুরআন এবং বিজ্ঞানের সমন্বয়ে পাঠ্যসূচি তৈরি করেছে ।
কিন্ত অধিকাংশ কালো জাতির বাহির যেমন ভেতরও তেমন।আমি সাদা কালোর কোন বৈষাম্য করছিনা।কিন্ত চোরি-ডাকাতি,সন্ত্রাসী-খুন, ওদের নিত্যদিনের পেশা।পেশাদার খুনির অভাব নেই আফ্রিকায়।অস্ত্র-পিস্তল পানির দামে মিলে।

আফ্রিকায় বাংলাদেশি পাকিস্তানি ইন্ডিয়ান সহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসি আছে।খুন হয় শুধু বাংলাদেশি।১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫৭ টা খুন হয়েছে শুধু বাংলাদেশি।
পাকিস্তানি বা ইন্ডিয়ান একজনও খুন হয়নি।
কারন কি?

আফ্রিকায় বাংলাদেশি খুন হওয়ার তিনটা কারন।

একঃ
অনিরাপদ স্থানে ব্যাবসা করা,যেমন যে স্থানগুলোতে সচরাচর খুন খারবি হয়।
অনিরাপদ স্থানে চলাফেরা করা,বসবাস করা।
অনিরাপদ দোকানে ব্যবসা চালু করা,যেমন দোকানের উপরে ছাদ না হয়ে টিন থাকা।
দোকানে বা মার্কেটে সিকিউরিটি না থাকা।

পাকিস্তানি বা ইন্ডিয়ানরা যেখানে দোকান করে একিস্থানে সব মিলে দোকান করে।তাদের মার্কেটে কড়া সসস্ত্র সিকিউরিটি রাখে।দোকানে কেও রাত্রি যাপন করেনা।
কিন্ত বাংলাদেশিরা যত্রতত্র দোকান খুলে বসে।টাকা বাঁচাতে দোকানেই রাত্রি যাপন করে অনেকে।অথচ ইনকামের তুলনায় একদম কম পয়সায় নিরাপদ স্থানে রাত্রিযাপনের বাসা রাখা যায়।

দুইঃ
আমরা খুব ভালো মানুষ।আমরা বাঙালি, আমাদের মার্যাদা অনেক উপরে।
আবার অনেক নীচে।এমন কোন আকাম কুকাম নেই যেটা আমরা করতে জানিনা।এগুলো আমাদের জন্য লজ্জার।
আফ্রিকা ইউরোপ থেকে মোটেও কম নয়।অধিকাংশ আফ্রিকানও ইউরিপিয়ানদের মত নগ্ন হয়ে চলে।জিহ্বার পানি কন্ট্রল করতে না পেরে যখন ওদের দিকে সুনজর করি তখন গুলি খেতে হয়।সুনজর মানে চোখের চাওয়া নয়,হাত বাড়ানো, ইভটিজিং করা,অরো কতকিছু।

ওরা নগ্ন হয়ে চলুক আর যেভাবেই চলুক।ওদের বাবা ভাই আছে,প্রমিক আছে।দুনিয়ার কেওই চায়না তার মেয়ে বোন বা প্রমিকা অন্যের লালসার শিকার হোক।
খবর নিয়ে জেনেছি, কখনো সোনার ছেলেরা অন্যের বউ বোন মেয়ে প্রেমিকাকে নিয়ে আসেন নিজের আঙ্গিনায়।কখনো টাকার লোভ দেখিয়ে।অাফ্রিকানরা অতিরিক্ত পয়সা লোভী।কখনো জুর করে।
কি মনে করেন, গুলি করবে না জামাই আদর করবে?

গুলি করার আরো কারন আছে এই বিভাগে।
বাঙালির সব থেকে কালো ব্যক্তিও আফ্রিকানদের জন্য আকাশের সূর্য।তারা পাগল বাঙালির সংস্পর্শের জন্য।চাইলে বিয়ে করে সংসার করতে পারবেন।কিন্ত যারা বুদ্ধিমান প্রথম থেকেই ওদের সাথে সাধারন ব্যবহার করে চলেন।অন্য সম্পর্ক থেকে বিরত থাকেন।
যারা লোভী।সুবর্ন সুযোগ হাতছাড়া করেন না,তারাই বিপদি হন।সম্পর্কের পর যখন বিয়ে করতে চাইবেন না তখন পেশাদার খুনি দিয়ে গুলি করাবে।
প্রেমের ব্রেকাপে বাংলাদেশি মেয়েরাতো আত্মহত্যা করে।কিন্ত অাফ্রিকানরা সোনার প্রেমিককে হত্যা করায়।

তিনঃ
কখনো বাংলাদেশিরাই তার স্বদেশীকে খুন করিয়ে ফেলে আফ্রিকান পেশাদের খুনি দিয়ে।টাকা পয়সার লেনদেন,সাধারন ঝগড়া,বড় ঝগড়া,হিংসা সহ নানা কারনে। দুই এক বাংলাদেশি সন্ত্রাসীও আছে যারা আফ্রিকানদের সাথে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশি দোকান দেখিয়ে দেখিয়ে লোটপাট করায়, প্রতিবাদ বা প্রতিহত করতে চাইলেই গুলি।সন্ত্রাসীদের সাথে বাংলাদেশিও যুক্ত, সোশ্যাল মিডিয়ায় এরকম অনেক নিউজ আছে।

উপরিল্লিখিত কারন ছাড়াও খুন হয়ে থাকে। যা সংখ্যায় খুব কম,এবং দূর্ভাগ্যেক্রমে। আগেই বলেছি ওদের বাহির যেমন ভেতরও তেমন। সাধারন কারনেই ছুরি চালায়,গুলি চালায়।
কিন্ত উপরের কারনগুলো থেকে বিরত থাকতে পারলে ৯৯% খুন কমে যাবে।