অনলাইন ক্লাসে সীমাবদ্ধ শিক্ষার্থীদের উপকরণ, ভ্রুক্ষেপ নেই কর্তৃপক্ষের

একুশে জার্নাল

একুশে জার্নাল

জুলাই ৩০ ২০২০, ১৩:০৭

সানজিদা বিনতে শাফিন: করোনাকালে অনলাইন ক্লাস যেমন খুব আমোদের বিষয় নয়, তেমনই খুব স্বাভাবিক ঘটনাও নয়।
আপদকালে বিশেষ ব্যবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে দুর্যোগ ঠেকাতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে শুরু হয় অনলাইন ক্লাস। এর ভিন্নতা ঘটেনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,গোপালগঞ্জেও। গত ২৯ শে জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ( চলতি দায়িত্বে) ড. মোঃ শাহজাহান ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের সমন্বয়ে আয়োজিত ভার্চুয়াল মিটিং এ অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত ১লা জুলাই হতে বেশ কিছু বিভাগে শুরু হয় অনলাইন ক্লাসের কার্যক্রম। তবে এই অনলাইন ক্লাসে উপস্থিতির সংখ্যা (৪০-৫০%) এর বেশি নয়।

ইতিমধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্যে আর্থিক সুবিধা ও ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (চলতি দায়িত্বে) ড. মোঃ শাহজাহান জানান, সরকারি ভাবে উদ্দ্যোগ নেওয়া হবে। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যেমন করা হবে তেমনি করা হবে ইউজিসির নির্দেশনা মোতাবেক। আমার মতে অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয় এখন কোন উদ্দ্যোগ নেয়নি তবে আলোচনা চলছে। ফিনানশিয়াল ব্যাপারে ইউজিসির মতামত ছাড়া কিছু করা যাবে না।

অপরদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জানান, “সে গ্রামে থাকে এবং তার এলাকায় নেটওয়ার্ক এর সমস্যা। আর্থিক কারণে অনলাইন ক্লাসের উপযুক্ত পর্যাপ্ত ইন্টারনেট সুবিধা না থাকায় সে ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারেনি। ”

অপর একজন শিক্ষার্থী জানান, “তার স্মার্ট ফোন না থাকায় সে একটি ক্লাসও ঠিক মতন করতে পারেনি।”

উল্লেখ্য, বশেমুরবিপ্রবিতে অধ্যায়নরত আনুমানিক প্রায় ১৩.৫% শিক্ষার্থীদের স্মার্ট ফোন নেই।